শিরোনাম :
ধামইরহাট বড়থা ডি আই ফাজিল মাদ্রাসার বেহাল অবস্থা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২ ধামইরহাটে অপহরণ মামলার আসামি ইয়াদুল পুলিশের হাতে আটক ধামইরহাটে অর্ধ বার্ষিকী সাফল্য উদযাপন ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে যুব সংগঠন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলায় তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৫ বগুড়ায় রেলের দূরত্ব ভিত্তিক রেয়াত বাতিলের প্রতিবাদে মানববন্ধন চাঁদপুর জেলায় ফরিদগঞ্জ উপজেলায় খাজে আহমেদ মজুমদার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ধামইরহাটে গ্রামের তরুণদের উদ্যোগে মসজিদের ধান কাটা চলছে নওগাঁয় মাদকসহ র‌্যাবের হাতে আটক ১

টেকনাফে অগ্রযাত্রা’র তৎপরতায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিন সন্ত্রাসী গ্রেফতার।অস্ত্রধারীদের গ্রেফতার করেও ছেড়ে দিল পুলিশ।

 মোঃলিয়াকত হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২২০ বার পঠিত

কক্সবাজার জেলাধীন টেকনাফ উপজেলা মাদক ও সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য বলে খ্যাত।এই টেকনাফের রঙ্গিখালী এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী গিয়াস বাহিনীর সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। অসংখ্য খুন,অপহরণ,মাদক কারবার,আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া,রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কাছে অস্ত্র বিক্রি সহ নানান অপকর্মে লিপ্ত গিয়াস বাহিনী। গত ৩ মাস ধরে টেকনাফের বিপদসংকুল এলাকা রঙ্গিখালীতে জীবনের ঝূকি নিয়ে গিয়াস বাহিনীর অস্ত্রের খোঁজ করতে থাকে অনুসন্ধানমূলক জাতীয় পত্রিকা অগ্রযাত্রা’র এন্টি ক্রাইম ইউনিটের সাংবাদিকরা।

অগ্রযাত্রা অস্ত্রের সন্ধানে সেখানে নিজস্ব সোর্স নেটওয়ার্ক তৈরি করে গিয়াস বাহিনীসহ বিভিন্ন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অস্ত্রের তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে এবং তা বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়মিত সরবরাহ করতে থাকে৷ এর আগেও নভেম্বরে অগ্রযাত্রা’র এন্টি ক্রাইম ইউনিটের দেয়া তথ্যে টেকনাফের আলিখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে একটি রাইফেল ও ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। তারই ধারাবাহিকতায় ২৮ ডিসেম্বর ভোররাত ৩ টায় কুখ্যাত গিয়াস বাহিনীর একাধিক সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ টেকনাফের রঙ্গিখালী এলাকায় অবস্থান করছে অগ্রযাত্রা’র নিজস্ব সুত্রে পাওয়া এমন তথ্য ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে জানালে টেকনাফের নোয়াপাড়া ক্যাম্প থেকে ১৬ এপিবিএন এর একটি আভিযানিক দল রঙ্গিখালী এলাকায় অভিযান চালায়।

এসময় তিন টি দেশীয় তৈরি এলজি রাইফেল,এবং একটি পিস্তলসহ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকে আটক হয় একজন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সহ মোট ৩ সন্ত্রাসী। কিন্ত ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা নাগাদ ১৬ এপিবিএন কর্তৃক প্রেরিত প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয় অস্ত্র উদ্ধার হলেও আটক হয়নি কেউ। অথচ ঘটনাস্থলে অস্ত্রসহ আটক হয়েছিলো তিন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। কিন্ত রহস্যজনকভাবে এপিবিএন পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়েছে। এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কোন মামলাও হয়নি বরং একটি জিডিতেই প্রক্রিয়া সীমাবদ্ধ রেখেছে ১৬ এপিবিএন পুলিশ। এ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের নবনিযুক্ত অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোঃ তারিকুল ইসলাম তারিক অগ্রযাত্রাকে বলেন- আমি আজই যোগদান করলাম,এ ঘটনা সম্পর্কে আমি নিশ্চয়ই যথাযথ তদন্ত করবো। এখানে কোন রকমের হেরফের করার সুযোগ নেই। কোন অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক করেও ছেড়ে দেবার ঘটনায় ইতোমধ্যেই ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com