শিরোনাম :
ধামইরহাট বড়থা ডি আই ফাজিল মাদ্রাসার বেহাল অবস্থা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২ ধামইরহাটে অপহরণ মামলার আসামি ইয়াদুল পুলিশের হাতে আটক ধামইরহাটে অর্ধ বার্ষিকী সাফল্য উদযাপন ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে যুব সংগঠন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলায় তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৫ বগুড়ায় রেলের দূরত্ব ভিত্তিক রেয়াত বাতিলের প্রতিবাদে মানববন্ধন চাঁদপুর জেলায় ফরিদগঞ্জ উপজেলায় খাজে আহমেদ মজুমদার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ধামইরহাটে গ্রামের তরুণদের উদ্যোগে মসজিদের ধান কাটা চলছে নওগাঁয় মাদকসহ র‌্যাবের হাতে আটক ১

প্রশাসনের নিরবতায় উদ্বিগ্ন নগরবাসী রাতভর মাদক সরবরাহে তৎপর রাজশাহী বার ম্যানেজার রাজ্জাক।

 আবু সাইদ, ক্রাইম রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২০৬ বার পঠিত

রাজশাহী পর্যটন (বার) মোটেলের ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে অবৈধভাবে সারারাত মাদক বিক্রিতে এখনো তৎপর রয়েছেন। রাজশাহী পর্যটন (বার) মোটেলের ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক অবৈধভাবে মাদক বিক্রিতে এখনো তৎপর রয়েছেন। প্রশাসনের নাকের ডগায় দিনরাত সর্বদা অবৈধভাবে হেরোইন, ফেন্সিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরণের অবৈধ মাদকদ্রব্য বিক্রি হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এমন কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে কৌশল পরিবর্তন করেন বারের ম্যানেজার ও কর্মচারীরা।

ফলে তরুনদের নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন নগরীর সচেতন মহল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী পর্যটন মোটেলের বারের ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, কর্মচারি রাকিব ও আরো কয়েকজন কর্মচারি মাদকসেবীদের চাহিদামতো বারের ভেতরে ও নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে থাকেন। পূর্বেও এভাবে সরবরাহ করলেও দেশে মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাবের ফলে জারিকৃত লকডাউনের সময় সকল হোটেল, রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকাকালীন সময়ে অতিরিক্ত মাদক সরবরাহ করেছেন তারা।

এখনো চলছে সেই কার্যক্রম। নিয়মানুযায়ী রাত ১১টার সময় বার বন্ধের কথা থাকলেও সারারাত ধরে নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি করা হয় বার থেকেই। মাদক সেবীরা বাওে এস সহজেই পেয়ে যান অবৈধ মাদকদ্রব্য। ছবিতে রাজশাহী পর্যটন মোটেলের বারের ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, কর্মচারি রাকিবসহ বারের কয়েকজন কর্মচারিরা একসাথে। তারা সকলেই বার ম্যানেজার রাজ্জাকের কথামতো বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নগরীর বিভিন্ন স্থানে গ্রাহকের নিকট আদান প্রদান করে থাকে।

সূত্র জানায়, দেশে লকডাউন উঠে যাওয়ার পর রাজশাহী পর্যটন বারের ভেতরেই অবৈধভাবে বিক্রি হতে থাকে বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য। বারটিতে শুধু দেশীয় মদ বিক্রির লাইসেন্স থাকলেও প্রক্যাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বিদেশি মদ। মাদকদ্রব্য আইন অনুযায়ী, ২১ বছর বয়সের নিচের কোনো ব্যক্তি বারে মদ ক্রয় ও সেবন করতে পারবেন না। তবে প্রতিষ্ঠানটিতে ২১ বছর এমনকি ১৮ বছরেরও কম বয়সী কিশোররা মাদকদ্রব্য ক্রয় করছে এবং নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বারটিতে লাইসেন্স ছাড়াও অনেকে অনায়াসে মাদক ক্রয় ও সেবন করে থাকেন।

অতিরিক্ত মদপান করে মাতলামি ও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে একাধিকবার। এ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে প্রতিষ্ঠানটিতে মদপান করে মাতলামি ও ভাংচুর করেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রমৈত্রীর তৎকালীন সভাপতি জুয়েল ও মহানগর ছাত্রলীগের সহঃ সভাপতি জনি। পরে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে প্রতিষ্ঠানটিতে এখনো মাদকের রমরমা বাণিজ্য অব্যাহত থাকায় চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন নগরীর সচেতন মহল। তারা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রশাসনের অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে রাজশাহী পর্যটন মোটেলের বারের ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় শুনে ফোন কেটে দেন তিনি।

পরে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করে তার মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী জেলার উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান বলেন, বারের বাইরে মদ বিক্রি করা দন্ডনীয় অপরাধ। বিষয়গুলো আমরা ভালমতো তদারকি করে থাকি। বিষয়ে অভিযোগ পেলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের জিরো টলারেন্স। কাউকে কোনো ছাড় নয়। অভিযোগ পেলেই তৎক্ষনাৎ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com