ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিক্ষুব্ধ চট্টগ্রামবাসী: ধর্ষণ মামলার আসামিকে নিতে গিয়ে জনতার তোপে পুলিশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ১৯ Time View
Print

এস এম জসিম, বিশেষ প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা এলাকার চেয়ারম্যান ঘাটা আবু জাফর রোডস্থ বিসমিল্লাহ ম্যানশন এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক এক আসামিকে থানায় নিতে গিয়ে উত্তেজিত জনতার বাধার মুখে পড়ে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তকে আটক করার পর পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শত শত এলাকাবাসী রাস্তায় নেমে আসে এবং আসামিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশকে ঘিরে ফেলে এবং ঘটনাস্থলে টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা ধরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালালেও জনরোষের কারণে তারা আসামিকে সরিয়ে নিতে হিমশিম খায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক না হওয়ায় অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে।
এক বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন,
“শিশুদের ওপর এমন নৃশংস ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”
আরেকজন বলেন,
“ধর্ষকদের কোনো ছাড় দেওয়া উচিত নয়। আইনের মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খান সেলিম রহমানের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

বিক্ষুব্ধ চট্টগ্রামবাসী: ধর্ষণ মামলার আসামিকে নিতে গিয়ে জনতার তোপে পুলিশ

Update Time : ১০:৩২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
Print

এস এম জসিম, বিশেষ প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা এলাকার চেয়ারম্যান ঘাটা আবু জাফর রোডস্থ বিসমিল্লাহ ম্যানশন এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক এক আসামিকে থানায় নিতে গিয়ে উত্তেজিত জনতার বাধার মুখে পড়ে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তকে আটক করার পর পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শত শত এলাকাবাসী রাস্তায় নেমে আসে এবং আসামিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশকে ঘিরে ফেলে এবং ঘটনাস্থলে টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা ধরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালালেও জনরোষের কারণে তারা আসামিকে সরিয়ে নিতে হিমশিম খায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক না হওয়ায় অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে।
এক বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন,
“শিশুদের ওপর এমন নৃশংস ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”
আরেকজন বলেন,
“ধর্ষকদের কোনো ছাড় দেওয়া উচিত নয়। আইনের মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত