শিরোনাম :
ধামইরহাট বড়থা ডি আই ফাজিল মাদ্রাসার বেহাল অবস্থা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২ ধামইরহাটে অপহরণ মামলার আসামি ইয়াদুল পুলিশের হাতে আটক ধামইরহাটে অর্ধ বার্ষিকী সাফল্য উদযাপন ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে যুব সংগঠন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলায় তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৫ বগুড়ায় রেলের দূরত্ব ভিত্তিক রেয়াত বাতিলের প্রতিবাদে মানববন্ধন চাঁদপুর জেলায় ফরিদগঞ্জ উপজেলায় খাজে আহমেদ মজুমদার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ধামইরহাটে গ্রামের তরুণদের উদ্যোগে মসজিদের ধান কাটা চলছে নওগাঁয় মাদকসহ র‌্যাবের হাতে আটক ১

লালমোহন চরভূতা ৭নং ওয়ার্ডে জোরপূর্বক গাছ কাটাও ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টা।

 মোঃ মোসলেহ্ উদ্দিন(মুরাদ) স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭০৫ বার পঠিত

ভোলার লালমোহনের চরভূতা ইউনিয়নের নতুন মুগুরিয়া বাজার সংলগ্ন নুর মিয়া মালের বাড়িতে জোরপূর্বক সাজাহান মিয়ার ভোগদখলীয় জমি থেকে গাছ কেটে নিয়েছে প্রতিপক্ষ নসুগংরা । সাজাহান মিয়া জানান, উক্ত বাড়ির ষোল আনা অংশের মালিক ছিলেন তার বাবা মৃত সামছল হক মাষ্টার সিএস ১৭৭৭ নং দলিল মূলে। উক্ত দলিলের দাতা সামছল মাষ্টার এর পিতা মৃত নুর মিয়া পাটোয়ারী।

অজ্ঞাত কারনবশত উক্ত জমি সামছল হকের নামে এস এ তে ষোল আনা রেকর্ড না হয়ে সামছল হক, মজিবল হক, নেজামল হক ও আবুবকরের নামে চার আনা অংশে রেকর্ড অংকিত হয়। সামছল হক মাষ্টার বেঁচে থাকতে আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করতে চাইলে তৎকালীন স্হানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় শালিশ বৈঠকে শালিশ এবং উভয় পক্ষের স্বাক্ষরিত শালিশনামা ১৬/০৮/৬৬ইং সালে স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু হঠাৎ সাজাহান গংদের নাবালক রেখে সামছল হক মাষ্টার অকালে মৃত্যুবরন করলে সবকিছু উলট পালট হয়ে যায়।

সামছল হক মাষ্টার মারা যাওয়ার পর নসু গংদের পূর্ববর্তী সুচতুর মজিবল হক নিজের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল বাবা আঃ গনি পাটোয়ারীকে বাদী এবং নিজেকেসহ দুই ভাই ও নাবালক সাজাহান গংদের বিবাদী করে সি.এস ১৭৭৭নং দলিল গোপন রেখে এস.এ রেকর্ড এর বিরুদ্ধে মামলা করে। ১ একর চল্লিশ শতাংশ জমির মামলায় আঃ গনি পাটোয়ারীকে মাত্র ১৭শতাংশ জমির স্বত্ব দিয়ে ১৭৭৭ নং দলিলকে (অদূর ভবিষ্যতে যদি কখনো দৃশ্যায়মান হয়) দূর্বল করার জন্য সাজাহান গংদের অজ্ঞাতসারে একটি ছলেনামা সৃষ্টি করে।

সাজাহান মিয়ার ছেলে শিক্ষক ও লালমোহন মিডিয়া ক্লাব সদস্য মিজান পাটোয়ারী জানান, বাবা সি.এস দলিল বা ছলেনামা সম্পর্কে কিছুই জানত না। আমার দাদার রেখে যাওয়া ছেড়া কাগজপত্র তল্লাশিতে দলিল পেয়ে আমরা এস.এ রেকর্ড সংশোধনের জন্য ৭৪/১২ মামলা রুজু করি। শুধুমাত্র ছলেনামা দিয়ে নসুগং উক্ত মামলার জবাব দাখিল করলে আমরা ছলেনামার সইমোহর কপি সংগ্রহ করি।

ছলেনামা বিশ্লেষণ করে জানা যায়, উক্ত ছলেনামায় আমাদের পক্ষের একজনকে বিবাদী করা হয় নাই এবং আমার বাবা সাজাহানকে নাবালক উল্লেখ করে চাচা মজিবলকে অবিভাবক দেখানো হয়। আবার অন্য জায়গায় সাজাহানকে পক্ষ দেখিয়ে সাজাহানের টিপসই নিংভং দেখানো হয় যা নিঃসন্দেহে সাংঘর্ষিক। বিরোধীয় জমি নিয়ে অনেকবার শালিশও হয়েছে তারা কিছুই মানেনা।

৬৬ সালের শালিশ নামা, হোসেন চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত শালিশনামা, টিটব চেয়ারম্যান কর্তৃক শালিশ, জরিপ চলাকালীন লালমোহন উত্তর বাজার তাহের পঞ্চায়েত-ঈমাম কমিনার কর্তৃক শালিশ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। বাড়িতে নসুগংরা অদৃশ্য ইশারায় সবসময় মারমুখী হয়ে থাকে এবং বিভিন্ন সময় আমাদের সুপারী, নারিকেল, আম কাঠাল, লিচু জোর করেও চুরি করে নিয়ে যায়। একাধিক প্রমান থাকার পরও আমরা বিচার চেয়েও বিচার পাইনি।

উল্টো আমাদেরকে হুমকি দেওয়া হয় ৭৪/১২ মামলা না উঠালে ভবিষ্যৎ খুব খারাপ হবে। মামলা না উঠানোর অভিযোগ দিয়ে আমাদের দখলীয় এবং রেকর্ডীয় জায়গার গাছ কাটায় স্হানীয় জাহাঙ্গীর মেম্বারকে দিয়ে গত ১৯/১০/২০২০ইং বাঁধা প্রদান করে। ঐ সময় চেয়ারম্যান এলাকায় না থাকায় নসুগংদের প্রধান নসুকে পৌর ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব রায়হান মাসুম ফয়সালায় বসার জন্য বলেন। প্রায় ২০ দিন অতিবাহিত হলেও তারা ফয়সালায় না বসে উপরন্তু আজ ১০ নভেম্বর ২০২০ ইং আমাদের গাছ জোরপূর্বক কেটে নেয়। নসুগংরা দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের পরিবারের উপর অন্যায়ভাবে জোরজুলুম করে আসছে।

মিজান পাটোয়ারী আরও জানান, আজকের গাছ কাটার বিষয়ে সময় সুযোগ বুঝে আমরা আইনের আশ্রয় নেব। অভিযুক্ত নসুর ফোন নম্বরে (০১৯১২৪৫৮০৫২) কল করে এ ব্যাপারে জনতে চাইলে নসু বলেন আমি কাজে খুলনায় আছি। গাছের ছায়ায় জমিতে পরার কারনে গাছ কাটা হয়েছে বলে আমি শুনছি। আমি কোন গাছ কাটার জন্য বলিনাই। কে বা কারা গাছ কেটেছে তাহাও আমি জানিনা। যার জমিতে ছায়া পড়েছে (হারিছ আহমেদ) বলেন নসুর ভাইজি জামাই হুন্ডা চালক জুয়েল গাছ কাটিয়ে নিয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com