ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরীয়তপুরে ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৬ Time View
Print

জাকির হোসাইন, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে শরীয়তপুর জেলার নদ-নদী ও মোহনায় ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ সময় ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত ২২ দিন শরীয়তপুর জেলার নদ-নদী ও মোহনায় মাছ ধরার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ইলিশের বংশবৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় যেসব কার্যক্রম

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে শরীয়তপুর জেলার নদ-নদী ও পদ্মা নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ করা যাবে না। একই সঙ্গে ইলিশ পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে।

এ সময় জেলে, মাছ ব্যবসায়ী, আড়তদার, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকাকালে মাছ আহরণ ও ইলিশের বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইন সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আইন অমান্য করলে ব্যবস্থা

নির্ধারিত সময়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে Protection and Conservation of Fish Act, 1950 অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। নিষিদ্ধ সময়ে মাছ আহরণ, ইলিশ পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইলিশের প্রজনন রক্ষায় সহযোগিতা কামনা

ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং দেশের মৎস্যসম্পদ ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইলিশের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি সুরক্ষিত রাখা গেলে ভবিষ্যতে এর উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ কারণে প্রজনন মৌসুমে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শরীয়তপুর জেলার নদ-নদী ও মোহনায় ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা, অবৈধভাবে মাছ আহরণ ও বেচাকেনা থেকে বিরত থাকা এবং ইলিশের প্রজনন রক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় ইলিশের প্রজনন রক্ষা ও দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ সম্ভব।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে জুলহাস উদ্দিন

শরীয়তপুরে ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

Update Time : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
Print

জাকির হোসাইন, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে শরীয়তপুর জেলার নদ-নদী ও মোহনায় ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ সময় ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত ২২ দিন শরীয়তপুর জেলার নদ-নদী ও মোহনায় মাছ ধরার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ইলিশের বংশবৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় যেসব কার্যক্রম

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে শরীয়তপুর জেলার নদ-নদী ও পদ্মা নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ করা যাবে না। একই সঙ্গে ইলিশ পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে।

এ সময় জেলে, মাছ ব্যবসায়ী, আড়তদার, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকাকালে মাছ আহরণ ও ইলিশের বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইন সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আইন অমান্য করলে ব্যবস্থা

নির্ধারিত সময়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে Protection and Conservation of Fish Act, 1950 অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। নিষিদ্ধ সময়ে মাছ আহরণ, ইলিশ পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইলিশের প্রজনন রক্ষায় সহযোগিতা কামনা

ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং দেশের মৎস্যসম্পদ ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইলিশের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি সুরক্ষিত রাখা গেলে ভবিষ্যতে এর উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ কারণে প্রজনন মৌসুমে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শরীয়তপুর জেলার নদ-নদী ও মোহনায় ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা, অবৈধভাবে মাছ আহরণ ও বেচাকেনা থেকে বিরত থাকা এবং ইলিশের প্রজনন রক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় ইলিশের প্রজনন রক্ষা ও দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ সম্ভব।