শিরোনাম :
চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ ষোলদানা চৌধুরী বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ধামইরহাটে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে জোরপূর্বক গাছ কাটার অভিযোগ উলিপুরে এম আর ফাউন্ডেশনের অঙ্গ সংগঠন নেফড়া কাঁঠালীপাড়া মানব কল্যান সংঘের ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ধামইরহাট বড়থা ডি আই ফাজিল মাদ্রাসার বেহাল অবস্থা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২ ধামইরহাটে অপহরণ মামলার আসামি ইয়াদুল পুলিশের হাতে আটক ধামইরহাটে অর্ধ বার্ষিকী সাফল্য উদযাপন ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে যুব সংগঠন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নওগাঁর পত্নীতলায় তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৫

শরীয়তপুর ১ আসনে রাজনীতির মাঠে জনপ্রিয়তার শীর্ষে——–

জেলা- প্রতিনিধি-মানজারুল ইসলাম মিলন!---
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২৩
  • ৪১০ বার পঠিত

শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের সনামধন্য মোড়ল পরিবারে জন্মগ্রহন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল। তার পিতার নামঃ একে,এম, শফিক উদ্দিন মোড়ল মাষ্টার।তিনি ছিলেন একজন সনামধন্য স্কুল শিক্ষক, এবং তার মা ছিলেন একজন সরকারী চাকুরী জীবী নারী। পারিবারিক সুত্রে জানা যায় তারা ছিলেন তিন বোন দুই ভাই। সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল ছিলেন ভাই বোনদের মধ্যে ২য় তিনি ছোট বেলা থেকেই ছিলেন তুখোর মেধাবী ছাত্র, তিনি প্রাইমারি শেষ করে জাজিরা মোহর আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হোন। এবং দক্ষতার সাথে পড়াশোনা চালিয়ে যান। তিনি ১৯৯২ সালে জাজিরা মোহর আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে এসএসসি পাশ করেন।তারপর কলেজ জীবনে পদার্পণ করেন, এবং Govt Science college Dhaka থেকে এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশব্বিদ্যালয়ে ভর্তি হোন। তিনি অতি মেধাবী ছাত্র হওয়ায় পড়াশোনা চলাকালীন অবস্থায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অফিসার পদে যোগদানের সুযোগ পান, এবং সেখান থেকেই শুরু করেন দেশ ও জনগণের সেবার কাজ। সেনাবাহিনীতে চাকুরী করা অবস্থায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বৈমানিক পদে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পান এবং সেখানেও তিনি দক্ষতার সাথে বৈমানিক হওয়ার সুযোগ পেয়ে যান। তারপর তিনি সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার পরিচালনার দায়িত্ব পান এবং একজন দক্ষ পাইলট বনে যান। সেই থেকে বুক চিতিয়ে দেশের সেবা করতে থাকেন এবং এখনো করেন, সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় তিনি তার দেশ প্রেম দিয়ে লে,কর্নেল পদ অবধি পদোন্নতি লাভ করেন, এবং প্রাইমমিনিস্টার পদক পিপিএম এ ভুষিত হোন, তার বহু বীরত্ব গাঁথা গল্প,বহু অর্জন, বহু পড়াশোনা, দেশের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করা যা লিখে শেষ করা যাবে না, তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে পাহাড়ি সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন দেশকে শত্রু মুক্ত রাখতে বিশেষ ভুমিকা রেখেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী এবং দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ। দেশের স্বার্থে সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল পিপিএম ছিলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে জ্বলন্ত সূর্যের ন্যায় সৎ দক্ষ ও নির্ভীক সেনাকর্মকর্তা, বর্তমানে তিনি চাকুরী শেষ করে সম্মানের সাথে অবসরে গিয়ে তার নিজ জেলা শরীয়তপুরে উন্নয় মুলক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। যুব সমাজ কে মাদক থেকে দূরে রাখতে মাদক বিরোধী আন্দোলন সোসাইটি নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, যেখানে অন্যায় সেখানেই তিনি প্রতিবাদী আন্দোলন গড়ে তুলছেন, শরীয়তপুরের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, ঘুষ,দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়ে মানুষ কে সচেতন করে তুলেছেন। এবং নিজ বাড়িতে প্রতিদিন গ্রামের সকল মানুষের সকল সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। ও সচেতনতা মুলক পরামর্শ দেন, এলাকার জনসাধারণের যে কোন সমস্যায় ঝাপিয়ে পরেন এবং উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। এলাকায় ঘুরে ঘুরে গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের জন্য সাধ্য মতো সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন, শরীয়তপুরের অর্ধ জনগোষ্ঠীর মন জয় করে নিয়েছেন- সত্য, ন্যায়,ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলে। এবং স্থানীয় নির্বাচনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটিয়ে জনসাধারণের ভোটের আস্থা ফিরিয়ে এনে জনসাধারণের আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন।পালং জাজিরার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানান পালং জাজিরাতে গত ১০ বছরে স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি চেয়ারম্যান মেম্বাররা ইচ্ছে মতো গায়ের জোড়ে ভোট দিয়ে নিয়ে যেতো, পছন্দের মানুষ কে ভোট দিতে পারতাম না, ভোট দিতে গেলে বলতো আপনার ভোট হয়ে গেছে। সাধারণ জনগণ আরো জানায় কোন নেতারা আমাদের ১০ বছর যাবত মূল্যায়ন করতো না,কোন নেতাও জনগণের অধিকারের কথা বলতো না। যদি কোন কাজের জন্য চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে যেতাম তারা আমাদের মানুষ মনে করতো না। কারন তাঁদের তো চেয়ারে বসতে আমাদের ভোট লাগতো না। কিন্তু কর্নেল রাসেল এলাকায় আসার পর থেকে সকল অন্যায়, অত্যাচার,জোর জুলুম করা মানুষ গুলো চুপচাপ হয়ে গেছে।কর্নেল রাসেল শরীয়তপুরের মানুষের পাশে দাড়ানোর পরে যতোগুলো স্থানীয় নির্বাচন হয়েছে সব গুলো অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে, কোন কারচুপি করার সুযোগ পায়নি কেউ। জনগণের ভোট জনগণ নিজ হাতে দিয়েছে এবং জনগণের পছন্দের নেতাকে নির্বাচিত করেছেন এখন নেতারা আমাদের দ্বারে দ্বারে আসেন খবর নেন, এসব কিছু হয়েছে কর্নেল রাসেলের জন্য। শরীয়তপুরের অধিকাংশ মানুষ সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল পিপিএম কে One Man Army হিসেবে জানে! শরীয়তপুরের সাধারণ জনগণ বলেন এই অবহেলিত শরীয়তপুর জেলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ও সুশাসন, উন্নত সমাজ ব্যাবস্থা নদী ভাঙনের মতো দূর্যোগ থেকে বাঁচাতে শরীয়তপুরে ১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে তাকে দরকার। শরীয়তপুরের বিভিন্ন এলাকার তথ্য সুত্রে ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল – পিপিএম এর সাথে কথা বলে জানা যায় আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল পিপিএম শরীয়তপুর ১ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে অবহেলিত জনগনের পক্ষে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল পিপিএম এর ভাষ্য মতে পাশ ফেল ভাগ্যের উপর জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ করে দিবেন তিনি,জনগন তাঁদের ভোটের মাধ্যমে যাঁকে বেছে নিবে সেই হবে শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য। জনগণ কে বাদ দিয়ে আর কারো বিনা ভোটে নির্বাচিত হবার সুযোগ নেই। শরীয়তপুর ১ আসনের জনগণ ঠিক করবে কাকে তারা তাঁদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠাবে? এমন টা-ই জানা গেছে জনগণ ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল পিপিএম এর সাথে কথা বলে।— One Man Army সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল পিপিএম!

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com