শিরোনাম :
জলঢাকার কাঁঠালী ইউনিয়নে আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর নির্বাচনী পথসভা মনপুরায় ভোলা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী নয়নের গণসংযোগ ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা হবে নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনেই জলঢাকায় জামায়াতের বিশাল গণমিছিল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব লালমোহনে আলহাজ্ব আলী মিয়া মিন্টু শিকদারের জানাজায় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। মনপুরার আলোচিত গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বালিয়াডাঙ্গীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে ডা. কাসফিয়া সালাম নির্ঝরের সৌজন্য ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাকসামে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকীর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা প্রচারণার প্রথম দিনেই কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবুল কালামকে ঘিরে জনতার উচ্ছ্বাস সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হাফিজ উদ্দিন খান আর নেই সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইয়ারুল ইসলামের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ ঢাকা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে সাংবাদিক নেতা খান সেলিমের পিতার রোগমুক্তি কামনা। নাসিরনগরে ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি সিল অবৈধভাবে সংরক্ষণ: কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা। লাকসামে চেয়ার মার্কার নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত  নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের গণজোয়ার ঘোড়াঘাট থানা প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি সভাপতি আনভিল বাপ্পি সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম। সুনামগঞ্জে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান বিপুল অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার ৪ সকল জল্পনা–কল্পনার অবসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান পেলেন ধানের শীষ

শীঘ্রই উদ্বোধন হবে কক্সবাজার রেল সংযোগ প্রায় ৫১ ভাগ কাজ শেষ।

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ৩৬৬ বার পঠিত

মুহাম্মদ নুরুল ইসলামঃ দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমদুম রেললাইন প্রকল্পের কাজ ৫১ ভাগ শেষ হয়েছে।এখন শুরু হয়েছে রেলট্রেক বসানোর কাজ।প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন,বর্ষাকালের আগেই রেলট্রেক বসানোর কাজ শেষ করবে তারা।যেখানে মাটির কাজ শেষ,সেখানে এই রেলট্রেক বসানো হচ্ছে।এবং নিয়মিত চলতেছে তাদের কার্যকম।

কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প পরিচালক মো. মফিজুর রহমান জাতীয় দৈনিক মাতৃজগকে জানায় “সামনে বর্ষাকাল আসবে এসময়ে কাজ করা যায় না।তাই বর্ষা আসার আগেই রেলট্রেক বসানোর কাজ শেষ করতে চাই কর্তৃপক্ষ।রামুর পানির ছড়া থেকে এই কাজ চট্টগ্রামের দিকে চলে আসবে।সূত্র জানায়,সরকারের মেগা এই প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা।এ প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৫১ শতাংশ।রেললাইন তৈরির জন্য মাটি ভরাট কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৭০ শতাংশ।প্রকল্পের ৯টি স্টেশন বিল্ডিংয়ের মধ্যে ৫ টির নির্মাণকাজ হয়েছে ২০ শতাংশ।

৩৯টি ব্রিজের মধ্যে ৩০টির কাজ শেষ হয়েছে ৮০ শতাংশ।কক্সবাজারের নির্মাণাধীন সর্বাধুনিক স্টেশন আইকনিক বিল্ডিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে ২০ শতাংশ।বনাঞ্চলের ভেতরে হাতি চলাচলের জন্য ২টি আন্ডারপাসের কাজ শেষ হয়েছে।ওভারপাস তৈরির কাজও চলছে দ্রুততার সঙ্গে।

এই রেললাইনটি দ্রুত নির্মাণের মাধ্যমে যাতায়াত শুরু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ সারা দেশের সঙ্গে অর্থনীতি,পর্যটনখাতে বিপুল রাজস্ব আয় হবে। পাশাপাশি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এই অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নও ঘটবে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৫ কোটি টাকা।এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ,আরামদায়ক,সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রবর্তন হবে।১২৮ কিমি রেলপথে স্টেশন থাকছে ৯টি।

এগুলো হলো-সাতকানিয়া,লোহাগাড়া,চকরিয়া, ডুলাহাজারা,ঈদগাও,রামু,কক্সবাজার সদর,উখিয়া ও ঘুমধুম।এতে থাকবে কম্পিউটার বেইজড ইন্টারলক সিগন্যাল সিস্টেম এবং ডিজিটাল টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম।সাঙ্গু,মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হবে তিনটি বড় সেতু।

৩৯টি ব্রিজের মধ্যে ৩০টির কাজ শেষ হয়েছে ৮০ শতাংশ।কক্সবাজারের নির্মাণাধীন সর্বাধুনিক স্টেশন আইকনিক বিল্ডিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে ২০ শতাংশ।বনাঞ্চলের ভেতরে হাতি চলাচলের জন্য ২টি আন্ডারপাসের কাজ শেষ হয়েছে।ওভারপাস তৈরির কাজও চলছে দ্রুততার সঙ্গে।

এই রেললাইনটি দ্রুত নির্মাণের মাধ্যমে যাতায়াত শুরু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ সারা দেশের সঙ্গে অর্থনীতি,পর্যটনখাতে বিপুল রাজস্ব আয় হবে। পাশাপাশি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এই অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নও ঘটবে।দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৫ কোটি টাকা।এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ,আরামদায়ক,সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রবর্তন হবে।১২৮ কিমি রেলপথে স্টেশন থাকছে ৯টি।

এগুলো হলো-সাতকানিয়া,লোহাগাড়া,চকরিয়া, ডুলাহাজারা,ঈদগাও,রামু,কক্সবাজার সদর,উখিয়া ও ঘুমধুম।এতে থাকবে কম্পিউটার বেইজড ইন্টারলক সিগন্যাল সিস্টেম এবং ডিজিটাল টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম।সাঙ্গু,মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হবে তিনটি বড় সেতু।জনসাধারণ মনে করেন এভাবে কাজ করলে বাংলাদেশে অনেক দূর এগিয়ে যাবে স্বপ্নের বাংলাদেশ একসময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com