
মোঃ জাফর আলম
উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি।
উখিয়া – কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় মানবিক আশ্রয়ের নামে যে অবকাঠামো ও নির্মাণ কার্যক্রম চলছে, তা নিয়ে এখন গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি, এবং শেল্টার নির্মাণের মাধ্যমে ক্যাম্পে ধীরে ধীরে স্থায়ী ধাঁচের কাঠামো গড়ে ওঠার অভিযোগ সামনে আসছে।
ক্যাম্প-৪ এক্সটেনশন, ব্লক-ই এলাকায় পাহাড় কেটে প্রায় ১০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা, ৮৮৮টি শেল্টার সেট নির্মাণের কাজ চলমান,যা পরিবেশ, পাহাড় সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।*
পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কুতুপালং, বালুখালী ও টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রতিদিন পাহাড় কেটে নতুন শেড, রাস্তা ও ড্রেন তৈরি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে স্থানীয় গ্রামগুলো ঝুঁকিতে পড়ছে। গত বছর উখিয়ার পালংখালীতে পাহাড় ধসে ৩ স্থানীয় বাসিন্দা নিহত হয়।
স্থানীয়দের অভিমত পাহাড় কেটে স্থায়ী বসতি হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কোথায় যাবে? কৃষি জমি কমছে, পানির স্তর নামছে
*ভবিষ্যৎ শঙ্কা:*
১. *পরিবেশ*: পাহাড় কাটায় বর্ষায় ঢল, গ্রীষ্মে পানির সংকট বাড়বে।
২. *সামাজিক*: স্থানীয় ৫ লক্ষ মানুষের সাথে ১২ লক্ষ রোহিঙ্গার সম্পদের প্রতিযোগিতা বাড়ছে। মজুরি কমেছে, দ্রব্যমূল্য বেড়েছে।
৩. *নিরাপত্তা*: স্থায়ী বসতি হলে প্রত্যাবাসন জটিল হবে। মাদক ও মানবপাচার বাড়ার আশঙ্কা স্থানীয়দের।
উখিয়া-টেকনাফের মানুষ চায়, মানবিকতা ও জাতীয় স্বার্থের ভারসাম্য। পাহাড় বাঁচলেই বাঁচবে এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ।