বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিতে ধসে পড়েছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, বাড়ছে শঙ্কা, বাড়ছে ঝরে পড়ার সংখ্যা।
এতে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে দেশের অগনিত পিতা মাতার স্বপ্ন ভঙ্গের মিছিল। অর্থাভাবে বেড়েছে নিম্নমানের শিশুশ্রম, বেড়েছে বাল্য বিবাহ আর বিবাহ বিচ্ছেদের মত মারাত্মক ঘটনা। তাছাড়াও কিশোর কেন্দ্রীক অপরাধ প্রভনতা তো আছেই।
দেশের ইতিহাসে গতবারই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে নতুন প্রথম বর্ষে ( নিউ ফার্স্ট ইয়ার) কোন শিক্ষার্থী ছিলোনা, কারন ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে কোন শিক্ষার্থী ছিলোনা, কারন ২০২০-২০২১ শিক্ষাববর্ষে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারেনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়।
গত বছর অটো পাসের মাধ্যমে যারা এইচএসসী পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়েছেন সেসব শিক্ষার্থীরাই প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার কথা, কিন্তু করোনার কারনে তা আর হয়ে উঠে নি। করোনায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিস্টান চরম ক্ষতির শিকার হয়েছে।
প্রাথমিক স্থর থেকে উচ্চ পর্যায়ে প্রায় সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থী ও ৫০ লাখ শিক্ষক।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিস্টান গুলোর অবকাটামো গত ক্ষয় ক্ষতি তো আছেই।
বেসরকারি শিক্ষকদের আয়ের উপর পড়েছে করোনার ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব। এতে ব্যাপক শিক্ষার্থীর ঝরে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
করোনায় নিম্ন মধ্যবিত্ত ও দারিদ্ররা ভীষন বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। বহু মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছে,
একটি নির্দিস্ট আয়ের মধ্যে থাকা মানুষগুলো পড়েছে বিষম বিপাকে, হিমশিম খাচ্ছে সংসারের ঘানি টানতে,
তাছাড়া ভবন ভাড়া নিয়ে ব্যাক্তি মালিকানায় চালানো শিশু নিকেতন গুলোর অবস্থা আরো ভয়াবহ, একে তো দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকাতে বেতন পাচ্ছেনা তার উপর ভবন ভাড়া, শিক্ষক দের বেতন তো আর থেমে নেই,
এ যেন মরার উপর খরার ঘা,
এ পরিস্থিতি তে বলা চলে এটা একটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ভয়াবহ অশনিসংকেত।
এর যতাযথ পরিত্রানে প্রয়োজন সূদুর প্রসারী, বাস্তবধর্মী, যুগোপযোগী পরিকল্পনার।
Leave a Reply