
মোঃ জহুরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদে চেক বিতরণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরের দিকে বিভিন্ন অর্থবছরের রাজস্ব ও এডিপি তহবিলের অর্থ হতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণের লক্ষ্যে জেলা পরিষদের আয়োজনে উক্ত কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গৃহীত প্রকল্পের চেক প্রদান করেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) আব্দুল হাই সিদ্দিকী। মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সুশীল সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, কুষ্টিয়া জেলার উন্নয়নে জেলা পরিষদের অর্থায়নে গোরস্থান, ঈদগাহ, মসজিদ ও মাদ্রাসার গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের বিলের প্রথম কিস্তি ও চূড়ান্ত বিলের চেক প্রদান করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই দেশের উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলো তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছে। দোয়া করবেন আপনাদের সাথে নিয়ে যেনো দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি কুষ্টিয়ার উন্নয়ন করতে পারি। তিনি আরো বলেন, জেলা পরিষদের আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই পূর্বক যারা অনুদান পাওয়ার যোগ্য তাদেরকে আমরা সহায়তা করছি। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনার মাধ্যমে জেলার ছয় উপজেলাতে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। এরপরেও কোন ত্রুটি থাকলে সেগুলো সামনে এলে সংশোধন করা হবে। আমাদের দেশের জনগণও বুঝতে পারবে এই তৃনমুল পর্যায়ের মানুষগুলো সরকারি সহায়তা পাচ্ছে তথা বিএনপি সরকার দিচ্ছে। এতে করে মানুষ উপকৃত হবে, এ দেশটা উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশা করি। এছাড়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, আপনারা জানেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের সহায়তা প্রদান করছে। বিভিন্ন অর্থবছরের বরাদ্দকৃত টাকা প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া গৃহীত প্রকল্পের অর্থ যাচাই-বাছাই পূর্বক প্রদান করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমরা মানুষের প্রয়োজনে কাজ করে যাচ্ছি সব সময়। মানুষের সামগ্রিক উন্নয়নে জেলা পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামী দিনেও যাতে পাশে থাকতে পারে সেই প্রত্যাশা করেন তিনি। একটা কাজ বাস্তবায়ন না হলে কিন্তু কাউকে অর্থ দেওয়া হয় না। বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন ভাবে খোজ নেওয়া হয়, যাচাই-বাছাই করা হয় এবং বরাদ্দকৃত অর্থ দুই ধাপে প্রধান করা হয়। আমরা সচ্ছতার সাথে কাজ করার চেষ্টা করি।