
খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান পটুয়াখালী:
ঘোর কলির অমানিশায় কঠোর যন্ত্রনায় জগৎ-জীবন সংসার সর্বগ্রাসী অধর্মের করাল কষাঘাতে নিষ্পেষিত। সনাতন ধর্মের অমৃতবাণী বিস্মৃত হয়ে অনাচার ও কুসংস্কারের আবর্তে মানবকূল আজ অনিশ্চিত অন্ধকারে নিমজ্জমান। পতন প্রবন এ মানবতা উদ্ধারনে মুক্তির দূত হয়ে আবির্ভূত মহাবতারী শ্রীশ্রী গৌর সন্দর লীলাচ্ছলে বিলিয়ে ছিলেন শাশ্বত বিশ্বশান্তির মহামন্ত্র- “হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে”
পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্বজনীন কেন্দ্রীয় কালিবাড়ী মন্দিরে চলছে ৯৫তম ৫৬ প্রহর ব্যাপি শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও মহোৎসব।
গত মঙ্গলবার (০৫ মে) থেকে শুরু হয়ে একটানা চলবে ১১ মে সোমবার নিশি অবসান পর্যন্ত। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খ্যাতিনামা মোট ১৪টি দল অংশ গ্রহন করেছে। যারা হলেন শ্রীশ্রী নন্দ গোপন সম্প্রদায় পটুয়াখালী, শ্রীশ্রী রাধাকুঞ্জ সম্প্রদায় গোপালগঞ্জ, শ্রীশ্রী প্রভু প্রানকিশোর সম্প্রদায় গোপালগঞ্জ, শ্রীশ্রী গোপালকৃষ্ণ সম্প্রদায় বরিশাল, শ্রীশ্রী কুলেশ্বরী সম্প্রদায় নেত্রকোনা, শ্রীশ্রী ব্রজনন্দন সম্প্রদায় সাতক্ষীরা, শ্রীশ্রী মা ভবতারিনী সম্প্রদায় খুলনা, শ্রীশ্রী লক্ষ্মী নারায়ন সম্প্রদায় মানিকগঞ্জ, শ্রীশ্রী পার্থসারথী সম্প্রদায় নরসিংদী, শ্রীশ্রী মীরার প্রভুজি সম্প্রদায় নোয়াখালী, শ্রীশ্রী ভবতারণ সম্প্রদায় ঢাকা, শ্রীশ্রী বঙ্কুবিহারী সম্প্রদায় ঢাকা, শ্রীশ্রী নিতাই গৌর সম্প্রদায় মানিকগঞ্জ, শ্রীশ্রী গোঠের রাখাল সম্প্রদায় চট্টগ্রাম।
গলাচিপার বিভিন্ন এলাকা থেকে দৈনিক শত শত ভক্তবৃন্দ এসে কালিবাড়ী মন্দিরে নাম কীর্তন যজ্ঞানুষ্ঠান উপভোগ করেন। কালিবাড়ীর আহবায়ক রামকৃষ্ণ পাল এবং সদস্য সচিব সুখরঞ্জন বনিক বলেন, দুর থেকে যারা ভক্তবৃন্দ আসে তাদের প্রতিদিন দুইবেলা ভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে দৈনিক তাদের প্রায় ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়।
এটা আরও সুন্দর করে গঠন মূলক কথা উল্লেখ করে মানসম্মত একটি নিউজ তৈরী করে দাও