
আনোয়ার ক্রাইম রিপোর্টার চট্টগ্রাম প্রতিনিধ
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত প্রায় ১৮ দিন ধরে ব্যারিকেডের কারণে অন্তত পাঁচটি শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায় লোহাসহ বিভিন্ন মালামালের ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। অভিযুক্তের গ্রেফতারে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও তার সহযোগীদের নিয়ে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শিপ ব্রেকিং খাতের উদ্যোক্তারা জানান, ফৌজদারহাট থেকে কুমিরা উপকূল পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় গড়ে ওঠা এ শিল্পে একসময় প্রায় ১৬৫টি ইয়ার্ড চালু ছিল। বর্তমানে বিভিন্ন কারণে মাত্র ২৫টির মতো ইয়ার্ড কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে চাঁদাবাজি নতুন সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বারাকা শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের মালিক আলহাজ সামছুল আলম অভিযোগ করেন, তার ইয়ার্ডের প্রবেশপথে টিনের বেড়া দিয়ে ট্রাক চলাচল বন্ধ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় রাজনৈতিক নেতা, শিপ ব্রেকিং অ্যাসোসিয়েশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও জুন মাসে একাধিকবার একইভাবে রাস্তা অবরোধ করা হয়। স্থানীয়দের উদ্যোগে ব্যারিকেড সরানো হলেও ২১ জুন আবারও রাস্তার ওপর টিনের ব্যারিকেড দেওয়া হয়, ফলে বারাকা ও সাগরিকা শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
সাগরিকা শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের মালিক সিরাজুদ্দৌলা সওদাগর দাবি করেন, অভিযুক্ত রমজান আলী বলি আগে একটি শিপ ইয়ার্ডে নিরাপত্তাক