শিরোনাম :
মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ পেলেন সন্দ্বীপে বিজয় টিভির সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ। প্রতিটি জেলা থেকে ট্যালেন্ট হান্ট চালু করবে বিএনপি – আমিনুল হক শীর্ষ নেতা নুরু ভাইয়ের উপর পুলিশ-সেনা হামলা: তীব্র নিন্দার ঝড় ঝিনাইদহের নবীন শিল্পী শামীমকে নতুন মোবাইল উপহার দিলেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান। জাপা-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে ভোরের কাগজের সাংবাদিক মারুফ আহত স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি চর দশশিকা গ্রামে মনপুরায় পাওনা টাকা নিয়ে অসহায় নারীর উপর অতর্কিত হামলা ২০ বছরেও চর কলাতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজিবি’র অভিযানে ইয়াবাসহ আটক -২

চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও অপরাধীদের আতঙ্কের নাম মিরপুর মডেল থানার ওসি সাজ্জাদ রোমন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৭১ বার পঠিত

মিরপুরে অপরাধী আছে আতঙ্কে, সাধারণ জনগণ পেয়েছে আস্থা ও স্বস্তি
ওসি সাজ্জাদ রোমন

মিরপুর প্রতিনিধি

মিরপুর এলাকায় এখন অপরাধীরা গা ঢাকা দেয়, মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে বেড়ায়—এ দৃশ্য এক সময় কল্পনাও করা যেত না। অথচ আজ বাস্তব। এর পেছনে যিনি সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন, তিনি মিরপুর মডেল থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন।

জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এলাকাবাসী বলছেন—ওসি সাজ্জাদ রোমন হচ্ছেন অপরাধীদের জন্য আতঙ্ক, আর সাধারণ মানুষের জন্য নির্ভরতার প্রতীক।

ওসি সাজ্জাদ রোমনের নেতৃত্বে গত কয়েক মাসে মিরপুরে চালানো হয়েছে শতাধিক ছোট-বড় অভিযান। গ্রেফতার করা হয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের। সম্প্রতি পশ্চিম মনিপুর এলাকায় চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রনেতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দেন তিনি।

এছাড়া এক সময় মিরপুর মডেল থানার আওতাধীন বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ছিল অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থল। নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এখন এসব হোটেল অনেকটাই ‘পরিচ্ছন্ন’। হোটেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত সভা ও সতর্কীকরণ উদ্যোগে এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন।

শুধু অপরাধ দমন নয়, ওসি রোমান জোর দিয়েছেন জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর। থানায় এসে এখন সাধারণ মানুষ কোনো ভয় বা সংকোচ ছাড়াই অভিযোগ জানাতে পারছেন। ওসি নিজেই প্রতিদিন বহু মানুষের কথা শোনেন, সমাধান দেন, প্রয়োজনে মামলা গ্রহণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল হাসান বলেন, আগে থানায় যেতে ভয় লাগত। এখন নিজের সমস্যার কথা বলতে পারি। ওসি স্যারের মতো অফিসার থাকলে আইনশৃঙ্খলা এমনিই ভালো থাকবে।

রাজনৈতিক প্রভাব উপেক্ষা করে অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান একাধিক সূত্রে জানা গেছে, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে জড়িত এমন অনেকেই আছেন যারা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বড় হয়েছেন। কিন্তু এসব পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ওসি সাজ্জাদ রোমান আইন প্রয়োগ করেছেন সমানভাবে। বিএনপির একজন নেতার ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তিকেও চাঁদাবাজির মামলায় আটক করে আদালতে পাঠানোর ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক ওসি সাজ্জাদ রোমানের কর্মদক্ষতা এবং সততার জন্য তার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা দিন দিন বেড়েছে। নিরাপত্তার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ায় মিরপুরবাসী এখন অনেক বেশি নিশ্চিন্ত।

স্থানীয় সমাজকর্মী ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই এলাকায় আগে সন্ধ্যার পর বাইরে বের হওয়া নিরাপদ ছিল না। এখন রাত ১০টায়ও মানুষ নিশ্চিন্তে চলাফেরা করতে পারেন। এটা সম্ভব হয়েছে ওসি রোমানের সাহসী ও নিষ্ঠাবান নেতৃত্বের কারণে।

চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক এই তিন অপরাধের বিরুদ্ধে যেভাবে অবস্থান নিয়েছেন ওসি সাজ্জাদ রোমান, তাতে মিরপুর এখন ঢাকা শহরের অন্যতম শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তার নেতৃত্বে মিরপুর মডেল থানার কার্যক্রম সাধারণ মানুষকে যেমন স্বস্তি দিয়েছে, তেমনি অপরাধীদের জন্য হয়েছে এক ভয়ঙ্কর বার্তা।

সত্যিকার অর্থেই ওসি সাজ্জাদ রোমান এখন অপরাধীদের আতঙ্ক, আর জনগণের আস্থার প্রতীক।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com