বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণাসমুহের অগ্রগতি ও পর্যালোচনা এবং চা-বাগানসমুহের সম-সাময়িক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা এবং সে অনুযায়ী নতুন গবেষণা প্রস্তাবের উপযোগীতা ও সঠিক কর্মপদ্ধতি নির্ধারনের লক্ষ্যে বার্ষিক গবেষনা উপ-কমিটির সভা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে।
১১ মার্চ ২০২১ইং, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় শ্রীমঙ্গল বিটিআরআই’র কনফারেন্স হলে চা গবেষণা ইনস্টিউটের আয়োজনে গবেষণা উপ-কমিটির এই সভা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে।
গবেষণা উপ-কমিটির সভায় চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে মোঃ ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. একেএম রফিকুল হক, বাংলাদেশ চা বোর্ডের উপ-পরিচালক মুনীর আহমদ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহা-পরিচালক শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক, ভাড়াউড়া টি ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার শিবলী, জেরিন টি এস্টেটের জেনারেল ম্যানেজার সেলিম রেজা প্রমুখ।
এছাড়াও সিনিয়র টি প্ল্যান্টার্স, বিজ্ঞানী, ব্রাঞ্চ চেয়ারম্যান, চা-বাগানের প্রতিনিধিবৃন্দ, চা বোর্ডের প্রতিনিধিবৃন্দ ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্হিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের মানুষের কাছে চা একটি অত্যাবশ্যকীয় পানীয় হয়ে দাড়িয়েছে। বিশ্বব্যাপীও চায়ের চাহিদা অনেক বেশি বেড়ে গেছে।
বাংলাদেশের এই দ্রুত বর্ধমান জনসংখ্যার সাথে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাওয়া চা পানের চাহিদা দেশের চা শিল্পের জন্য একটি বিশাল অভ্যন্তরিন বাণিজ্য ক্ষেত্রের সৃষ্টি করেছে। চায়ের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি চা-কে গুনে-মানে উন্নতকরন এবং বৈচিত্রায়ন সংযোজন করা প্রয়োজন। প্রতিযোগিতাময় বৈশ্বিক বাজারে এই চাহিদা পূরণ করা বাংলাদেশ চা শিল্পের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। কাজেই চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রেখে তৈরি চায়ের গুনগতমান অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।
Leave a Reply