নিজস্ব প্রতিনিধিঃ- সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জের কতিপয় নামধারী ফেইসবুক পেইজে লাইভ কারি ও সাংবাদিক পরিচয় দানকারী এ আর সায়েমের বিরুদ্ধে ০৫/০৪/২০২২ ইংরেজি তারিখে সুনামগঞ্জ কোর্টে মামলা করেছেন জাতীয় দৈনিক মাতৃ জগত পত্রিকার সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক ফয়ছল কাদির।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে গত ৯-১০ মাস আগে এ আর সায়েম সাংবাদিক ফয়ছল কাদির এর হাতে পায়ে ধরে জাতীয় দৈনিক মাতৃ জগত পত্রিকার একজন প্রতিনিধি হয়েছেন এবং দৈনিক মাতৃ জগত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশ খান সেলিম রহমান সাথে আলাপ করে পরিচিত হয়েছেন। কিন্তু এই পত্রিকার প্রতিনিধি হওয়ার পর থেকে এই সায়েমের বিরুদ্ধে ঢাকার প্রধান অফিস ও সম্পাদক ও প্রকাশ খান সেলিম রহমান এর কাছে কয়েকটি অভিযোগ যায় তখন খান সেলিম রহমান সিলেটের বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান ফয়ছল কাদির কে আদেশ করেন যে সিলেট জেলা প্রতিনিধি তোফায়েল আহমদ কে সাথে নিয়ে গিয়ে এ আর সায়েম এর বিরুদ্ধে উক্ত অভিযোগ গুলো সত্য মিথ্যা যাচাই করার জন্য । সম্পাদক ও প্রকাশক এর কথা মতো গত ২৬ মার্চ ২০২২ ইং তারিখে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ ঘটিকার সময় গোবিন্দগঞ্জ বাজারে গিয়ে স্থানীয় কিছু লোকজনের কাছ থেকে সায়েম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন দৈনিক মাতৃ জগত পত্রিকার সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো ফয়ছল কাদির ও সিলেট জেলা প্রতিনিধি তোফায়েল আহমদ ।
তারপর ফয়ছল কাদির ও তোফায়েল আহমদ গোবিন্দগঞ্জ বাজারে জাতীয় দৈনিক মাতৃ জগত পত্রিকার শাখা অফিসে গিয়ে এ আর সায়েম কাছ থেকে তাহার বিরুদ্ধে উক্ত অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে (১) নং আসামি সায়েম ও (২) নং আসামি তার শ্যালক সাইফুল ইসলাম সহ কয়েকজন ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিক ফয়ছল কাদির এর উপর অতর্কিত হামলা চালায়ে ফয়ছল কাদির এর হাতে থাকা অ্যান্ড্রয়েড একটি ফোন যাহার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২৩০০০ তেইশ হাজার টাকা ও ফয়ছল কাদির এর পকেটে থাকা নগদ ১৩৪৮০ তেরো হাজার চার শত আশি টাকা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেয় সায়েম ও তার সহযোগীরা ।
তারপর ফয়ছল কাদির উক্ত ঘটনা কে দৈনিক মাতৃ জগত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশ খান সেলিম রহমান কে বিষয় টি অবগত করেন ঠিক খান সেলিম রহমান বলেন যে স্থানীয় ছাতক থানায় গিয়ে উক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করার জন্য বাকিটা তিনি দেখতেছেন বলে ফয়ছল কাদির কে আশ্বাস দেন।
এদিকে ফয়ছল কাদির অনেক চিন্তা ভাবনা করে দেখলেন আমি যখন নিয়োগ দিয়েছি হয়তো রাগের মাথায় একটি ভুল করে ফেলেছে এবং সায়েম যখন নিজের সিলেটে জেলার লোক সেই কথা ভেবে আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান ফয়ছল কাদির ।
আবার ঐ দিন রাতে বেশ কয়েকজন সায়েমর পরিচিত সহযোগী বার বার ফোন দিয়ে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ জানান এবং যা কিছু সায়েম নিয়েছে সবকিছু ফেরত দেবেন বলে আশ্বাস দেন ফয়ছল কাদির কে ।
কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ৮ থেকে ৯ দিন চলে গেলও সায়েম এর পক্ষ থেকে কোন ধরনের সমাধান আসে নাই বরং সায়েম উল্টো আরো সাংবাদিক ফয়ছল কাদির কে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন যাহা ভয়েস রেকর্ড আছে এবং মিথ্যা মামলাও দিবেন বলে লোকজনের কাছে বলাবলি করছেন।
যাহার কারনে সাংবাদিক ফয়ছল কাদির এর পক্ষ থেকে আইনের আশ্রয় নিতে বিলম্ব হইল।
Leave a Reply