
সামিনুর ইসলাম,জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে ফেরার পথে মোশারফ হোসেন নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সংবাদকর্মী সুমন মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় তার পকেট থেকে টাকা ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী ওই সংবাদকর্মী সুমন মিয়া দৈনিক বাংলার জনতা পত্রিকার জলঢাকা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুলাই রাতে জলঢাকা থানা এলাকায় একটি সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে মোশারফ হোসেন তাকে বাধা দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করায় তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ৪ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে সুমন মিয়া জলঢাকা ট্রাফিক মোড় সংলগ্ন এলাকায় চা নাস্তা করে বাড়ি ফেরার সময় মোশারফ হোসেন ও তার সহযোগীরা অতর্কিভাবে তার ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, মোশারফ হোসেন তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং গলায় চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এই সুযোগে হামলাকারীরা তার পকেটে থাকা ২ হাজার ৫৫০ টাকা ছিনিয়ে নেন।
এসময় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় হামলাকারী মোশারফ হোসেন সংবাদকর্মী সুমন মিয়াকে পুনরায় প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখান। জনসম্মুখে এবং থানার অদূরে এমন হামলার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রেস ক্লাবের সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে জলঢাকা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুমন মিয়া বলেন, আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলাম। আমাকে পরিকল্পিতভাবে হামলা করে টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আমি এই সন্ত্রাসী বিভিন্ন জায়গায় মব সৃষ্টকারী মোশারফ গং এর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
প্রশাসনের কাছে দ্রুত এই হামলাকারীদের সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।