
মোঃ ইসমাইল হোসেন নবী সিনিয়র রিপোর্টার:
রাজশাহী রাজশাহীর দুর্গাপুরে উপজেলা পর্যায়ে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক ( আইজিএ) প্রশিক্ষণ শীর্ষক সমাস্ত প্রকল্পের (২য় সংশোধিত) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে তিন মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তিতে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও একাধিকবার প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদেরকেও ভর্তিতে নামের তালিকা প্রকাশের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিজ্ঞপ্তির ৭ নং কলামে উল্লেখ করা হয়েছে ( আইজিএ) প্রকল্প হতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এমন মহিলাদের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় কিন্তু ভর্তি তালিকায় যাদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে তার অধিকাংশই একাধিকবার উক্ত প্রকল্প থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। জানাগেছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণাধীন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত উপজেলা পর্যায়ে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক ( আইজিএ) প্রশিক্ষণ শীর্ষক সমাস্ত প্রকল্পের (২য় সংশোধিত) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে তিন মাস মেয়েদী প্রশিক্ষণ কোর্সে নিম্নোক্ত ২টি ট্রেডে ২০ জন করে মোট ৪০ জন প্রশিক্ষনার্থী ভর্তি করার জন্য গত ৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে দুর্গাপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন শাপলা কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। উক্ত আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৮ এপ্রিল সকাল-১০ ঘটিকায় নামমাত্র সাক্ষাৎকার দেখিয়ে। আবেদনকারীরা পূর্বে অত্র অফিস থেকে ট্রেনিং করেছে কিনা তা যাচাই-বাছাই না করেই তদ্বিরের ভিত্তিতে তালিকায় নাম প্রকাশ করা হয়। তবে ভর্তি তালিকায় নাম প্রকাশের অধিকাংশই একাধিকবার দুর্গাপুর মহিলা বিষয়ক অফিস থেকে বিভিন্ন বিষয়ের উপরে ট্রেনিং ও সুবিধা নিয়েছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে একজন মহিলা বলেন, দুর্গাপুর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিসে ঘোরাফেরা করেন শুধুমাত্র সেসব মহিলাই বারবার প্রশিক্ষণের আবেদন করেন এবং সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে, অফিসকে ম্যানেজ করে, কমিশনের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করেন কিন্তু আমাদের মামা খালু না থাকার কারণে আমাদের গুলা বারবার বাদ পড়ে যায়। এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন শাপলা’র সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন, আমি ব্যস্ত থাকার কারণে পূর্বের রেজিস্টার খাতা গুলো যাচাই-বাছাই করা হয় নাই। সময় সাপেক্ষে সময় পেলে খুঁজে দেখে ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলে তাদের নাম তালিকা হতে বাদ দেওয়া হবে।