
মোঃ রুবেল সিনিয়র রিপোর্টার।
দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বারমাসিয়া চা-বাগান, শ্রমিক-কর্মচারীদের উদ্যোগে ০৪ মার্চ (বুধবার) ২২তম মহতী ধর্মসভা ও অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ ছিল,মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বলন, শুভ অদিবাশ, সংকীর্তন, রাতে গৌরলীলা ও কৃষ্ণ লীলা প্রদর্শন, ভোগ নিবেদন, মহা প্রসাদ আস্বাদন, শত শত ভক্তের আগমনে মুখরিত ছিল উৎসব অঙ্গন, যা পরিণত হয়েছিল সনাতনী মিলন মেলায়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ফটিকছড়ি পূজা উদযাপন পরিষদের অর্থ সম্পাদক জয়পদ চন্দ নয়নি কর্মকার,অজুন নার্থ, রাহুল দে। মন্দির উন্নয়নের কাজে সহায়তা করার জন্য সকল সনাতনী ভক্তবৃন্দদের আহ্বান করেন।
বারমাসিয়া চা বাগানের পঞ্চায়েত সভাপতি অপু কুর্মী বলেন, চা শ্রমিকের কাছ থেকে সাপ্তাহিক ২০টাকা করে চাঁদা নিয়ে এই অনুষ্ঠানটি করা হয়। আমরা প্রতিবছর ৬ থেকে ৮ হাজার মানুষের প্রসাদের ব্যবস্থা করি। সকলে যদি এগিয়ে আসে আমরা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে করতে পারব।বারমাসিয়া চা-বাগানে শ্রীশ্রী দূর্গা, কালী ও হরি মন্দিরের সভাপতি রুবেল ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের মন্দিরের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। চা শ্রমিকদের ২০টাকা চাঁদা দিয়ে ধর্মীয় উৎসব এবং মন্দিরের কাজ করা সম্ভব নয়। উক্ত মহতী কার্যক্রমে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এই সময় উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন , অদিবাস ঘোস,সুজন মুন্ডা, পলাশ ঘোষ, আপন কুর্মী, তপন কুর্মী, বিমল কুর্মী, অনুপম ভট্টাচার্য্য, রুপম ভট্টাচার্য্য, রুবেল কুর্মী, উত্তম কুর্মী, অসীম তুরী, অমিতাপ বাগদী, বাবুল কুর্মী, আরো উপস্থিত ছিলেন জনি কুর্মী ,রুপন, রানা, কেশব, রনি, সুমন, সোহেল, আকাশ, রতন,সজিব, শিবলু,রনি, সুজন,রুপন, মিন্টু,আপন, প্রমূখ।
এ উপলক্ষে বিশাল এলাকা জুড়ে বসেছে গ্রামীণ লোকজ মেলা। মেলায় খাবার সহ বিভিন্ন রকমের পণ্যের নিয়ে সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। বৃহস্পতিবার মহানামযজ্ঞের পূর্ণাহুতি ও নগর পরিক্রমার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
Leave a Reply