পটিয়া তথা চট্টগ্রামে `ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা মিউকরমাইকোসিসে (কালো ছত্রাক) আক্রান্ত এক রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে । সে পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা। আক্রান্ত রোগী একজন মহিলা। সে ৫০ বছর বয়সী। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুধু পটিয়া নয় সে চট্টগ্রামের প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা মিউকরমাইকোসিসে (কালো ছত্রাক) আক্রান্ত রোগী।
গত ২৪ জুলাই শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে এই নারী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হলেও নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আজ বুধবার (২৮ জুলাই) তার শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ৩ জুলাই করোনা আক্রান্ত হলেও ১৫ জুলাই পরীক্ষায় তার করোনা নেগেটিভ আসে। তারপরও শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেওয়ায় চারদিন আগে ওই নারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আজ তার ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ধরা পড়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক)পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবির বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রোগীর চিকিৎসা চলছে। রোগীর শারীরিক অবস্থা আমরা আগামীকাল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করবো, তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমরা কী করবো। প্রয়োজনে রোগীকে ঢাকায় পাঠানো হতে পারে। তিনি আরো বলেন শুধু পটিয়া নয় সে চট্টগ্রামের প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ বা মিউকরমাইকোসিসে (কালো ছত্রাক) আক্রান্ত রোগী।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস দেশে আগে থেকেই ছিল। গোবরে, আকাশে, বাতাসে ছত্রাকটি আছে। এছাড়া অপরিচ্ছন্ন স্থান থেকেও এটা হতে পারে। এতে আক্রান্ত হলে মৃত্যুহার ৫০ থেকে ৫৪ শতাংশ। যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে পারেন।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গত ৮ মে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ৪৫ বছর বয়সী এক রোগীর শরীরে ছত্রাকটির সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয়। এরপর গত ২৩ মে ৬০ বছর বয়সী আরেকজনের শরীরেও রোগটি পাওয়া যায়।
Leave a Reply