বাগেরহাট মাছ বাজার,কাচা বাজার সহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম উদ্যোমূখী,বাজার গুড়ে দেখা গেছে প্রকার বেদে সকল প্রকারের মাছের মূল্য কেজি প্রতি ৪০/৬০টাকা বেশিদড়ের বিক্রি হচ্ছে ,প্রতি কেজি ইলিশের মূল্য ছোট সাইজ ৮০০টাকা বড় মাঝারী ও বড় সাইজের মূল্য ১২০০/১৬০০টাকা পর্যন্ত,,এ ছাড়াও চিংড়ি ছোট/বড় ৫০০/৭০০টাকা দড়ে বিক্রি হচ্ছে,ক্রেতাদের অভিযোগ লকডাউনের কারনে দোকানিরা সব কিছুর মূল্য বৃদ্ধি করে দিয়েছে,তরকারির বাজার গুড়ে দেখা গেছে ৬০টাকার কমে কোন তরকারী পাওয়া যাচ্ছেনা,,সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের মূল্য,তাছাড়া ও ব্রয়লার প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫/১৫০টাকা দড়ে,,সোনালী,লেয়ার,কক মুরগী বিক্র হচ্ছে ২২০/২৪০টাকা দড়ে,গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি৫৮০/৬০০টাকা,খাশির মাংস ৮০০টাকা,বাজার ব্যাবস্থাপনা কমিটিকে মূল্য বৃদ্ধির কারন জানতে চাইলে মাতৃজগত প্রতিনিধিকে বলেন বর্তমানে বর্ষার মৌসুম,উৎপাদন কম হচ্ছে,অন্যদিকে করোনার কারনে বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন চলছে,তাই পরিবহন ব্যায় অনেক বেশি,,এই কারনেই মূল্য কিছুটা বেশি,,এদিকে ইলিশে ভরা মৌসম চল্লেও প্রত্যাসিত মাছ পাচ্ছেনা জেলেরা,তাই ইলিশের দাম অনেক বেশি,,সাধারন মানুষের অভিযোগ বাজার বাজার মনিটরিং ব্যাবস্থা না থাকায় অসাধু ব্যাবসায়িরা সব কিছুর মূল্য বৃদ্ধি করে অধিক মুনাফা হাছিল করছে,,তাই বাগেরহাট জন সাধারনের দাবি নিয়মিত বাজার মনিটরিং ব্যাবস্থা চালু থাকলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম জনগনের ক্রয় ক্ষমতার বিতরে থাকবে,,এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বাগেরহাটবাসি,,
Leave a Reply