
পলাশ তালুকদার – বসুন্ধরা রিক্সা মালিক সমবায় সমিতির আয়োজনে বুধবার সকাল ৯,ঘটিকায় বসুন্ধরা এপোলো গেটে মানব বন্ধন করেন প্যাডেল চালিত রিকশা মালিক ও শ্রমিক বৃন্দ।
মানববন্ধনের মালিক শ্রমিক সহ কয়েক শতাধিক লোকর উপস্থিত হন।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অভ্যন্তরীন যাতায়াতের জন্য পাবলিক পরিবহন হিসেবে যান্ত্রিক গাড়ী তুলে নিয়ে, পূর্বের ন্যায় প্যাডেল চালিত রিকশা চালুর দাবি করেন
মানব বন্ধনকারী’রা।
বসুন্ধরা রিক্সা মালিক সমিতি’র সভাপতি
ইকবাল ঢালী বলেন প্রযুক্তির দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষের শ্রমের মর্যাদা ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তথাকথিত ‘অটো রিকশা’র যান্ত্রিকতার আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে ২০ হাজার পরিবারের বেঁচে থাকার নূন্যতম অবলম্বন।
একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহলের ভুল প্ররোচনায় বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ প্যাডেল চালিত রিকশা বন্ধের যে হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে,তা কেবল প্রযুক্তিগত পরিবর্তন নয়,বরং একটি সুপরিকল্পিত সামাজিক বৈষম্যের প্রতিফলন।
একটি যন্ত্র দশজন মানুষের কাজ কেড়ে নিতে পারে,কিন্তু সেই দশজন মানুষের ক্ষুধার দায় নিতে পারে না। বসুন্ধরার এই প্যাডেল চালিত রিকশার ওপর সরাসরি নির্ভরশীল ২০ হাজার পরিবার কেবল ‘অটো’ চালুর কারণে অনাহারের মুখে।
তিনি আরো বলেন ঋণগ্রস্ত ১২০ জন ক্ষুদ্র মালিকের আর্তনাদ আমরা এনজিও ও ব্যাংক থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এই রিকশাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। রিকশা বন্ধ থাকায় তারা ঋণের জালে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পড়েছেন। যন্ত্রের প্রভাবে আজ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত এই মালিকরা পথে বসার পর্যায়।
তাই আমরা এখানে উপস্থিত সকল মালিক শ্রমিক বসুন্ধরা চেয়ারম্যান মহোদয় এর কাছে আকুল আবেদন জানাই ২০,হাজার হতদরিদ্র পরিবারের কথা চিন্তা করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে যান্ত্রিক অটো রিকশা চালু করার সিদ্ধান্তকে বাতিল করে আগের ন্যায় প্যাডেল চালিত রিক্সা চালু করার আবেদন জানাই।
Leave a Reply