ঢাকা জেলা ষ্টাফ রিপোর্টার:
সৈয়দ উসামা বিন শিহাব
রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা নুরু ভাইয়ের উপর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সম্মিলিত হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় বইছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাকে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক মহল— কেউই স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছে না।
ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে বলেছেন, দেশের একজন শীর্ষ নেতার উপর প্রকাশ্য দিবালোকে এ ধরনের হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, বরং গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার হরণের প্রকাশ। এটি প্রমাণ করে যে ভিন্নমত দমনে রাষ্ট্রীয় শক্তিকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পর্যবেক্ষক মহলের মতে, এ হামলা হঠাৎ করে সংঘটিত হয়নি। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ক্ষোভ ও অস্থিরতা এখনও বহাল আছে পুলিশের একটি অংশ এবং সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যের মধ্যে। নুরু ভাইয়ের উপর এ হামলা সেই ক্ষোভেরই প্রতিফলন। তারা বলছেন, এটি রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের একজন শীর্ষ নেতার উপর এই ধরনের হামলা গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের উপর সরাসরি আঘাত। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হলে তার ভয়াবহ পরিণতি হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।
এ ঘটনায় সেনাপ্রধানকে সুস্পষ্ট জবাবদিহি করতে হবে বলে জোর দাবি উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে— সেনাবাহিনী জনগণের নিরাপত্তার জন্য, না কি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হয়ে উঠছে? একইসঙ্গে সরকারকে এই ঘটনার পূর্ণ দায় স্বীকার করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও দাবি করছে বিভিন্ন মহল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের ঘটনা যদি পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জনগণের ক্ষোভ যদি দমন না করে সমাধান না দেওয়া হয়, তবে তা বড় ধরনের অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে।
Leave a Reply