১৩/০৯/২১ সোমবার
– সরকারী বাঁধা নিষেধ অমান্য করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকারী খাস জায়গায় ভবন নির্মান করাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিরাজ করছে চরম উত্তেজনা।
জানাযায়,নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও অলেক শাহ(র.) মাজারের সামনে সরকারের খাস খতিয়ান ভূক্ত জায়গাতে নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত মোতালেব মিয়ার মেয়ের জামাই খোকন মিয়া জোর পূর্বক স্থায়ী স্থাপনা (পাকা দালান) নির্মাণ কাজ শুরু করলে বাঁধা প্রধান করেন মাজার কমিটির লোকজন। মাজার কমিটির বাঁধা উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ চালাতে থাকলে উভয় পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে ওই খাস জায়গাতে সকল প্রকার কাজ বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ প্রধান করেন নবীনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
সরেজমিনে দেখাযায়, সরকারী বাঁধা নিষেধ অমান্য করে মাজারের সামনের সরকারী খাস জায়গাতে খোকন মিয়া তিনতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ভবনের নির্মাণ কাজ দ্রæত গতিতে চালিয়ে যাচ্ছেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে খোকন মিয়া বাড়ি থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
খোকন মিয়ার স্ত্রী নুরজাহান বেগম বলেন,আমাদের জায়গার উপর দিয়ে সরকারী রাস্তা গিয়েছে, সে কারনে আমরা সরকারী খাস জায়গাতে দালান তুলতেছি। আমরা ছাড়াও আরো অনেকে সরকারী জায়গা দখল করে রেখেছে। তাদেরতো কেউ কোন কিছু বলছেনা।
মাজার কমিটির সাবেক সভাপতি মোখলেছ মেম্বার বলেন, এখানে সরকারী পরিত্যাক্ত ডোবা ছিলো, সাথে একটি মসজিদ রয়েছে,মাজারের ফান্ডের টাকা দিয়ে আমরা তা ভড়াট করি মানুষের সুবিধার জন্য।
স্থানীয় বাসিন্দা মহিউদ্দিন মিয়া জানান,সরকারী খাস জায়গাটি অবৈধভাবে দখল হয়ে গেলে সকলকেরই সমস্যা তৈরি হবে। এ নিয়ে মাজারের ভক্তবৃন্দসহ এলাকাবাসীর মাঝে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। অবিলম্বে খাস জায়গাতে কাজ বন্ধ করার দাবী করছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যে স্থানে খোকন মিয়া দালানের কাজ শুরু করছে,এই জায়গাটি সরকারী খাস জায়গা।
এ বিষয়ে, নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোশারফ হোসাইন বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে এই স্থানে সকল প্রকার নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়ে এসেছি। কেউ সরকারী আইন অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। ওই স্থানে আবারও নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার খবর পেয়ে গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে ওই এলাকার নায়েবকে পাঠানো হয়েছে, কোন অবস্থাতেই সরকারী জায়গা কাউকে অবৈধভাবে দখল করতে দেওয়া হবেনা।
Leave a Reply