সিলেট জেলা ব্যুরো প্রধান::- সিলেট বিভাগ থেকে নিবন্ধিত ৫ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ ছুরত আলীর স্থায়ী ঠিকানা রহমতপুর,জয়নগর বাজার, সদর, সুনামগঞ্জ। একই ঠিকানা তার দ্বিতীয় বিয়ের স্ত্রী রোকেয়া বেগমেরও।
ছুরত আলী তার স্ত্রী রোকেয়া বেগমকে দিয়ে ২৫/৯/২০১৮ খ্রি, তারিখে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরে অনুদানের জন্য একটি দরখাস্ত করান। এই দরখাস্ত উপর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু’র আদেশমূলক স্বাক্ষর এবং সীলও গ্রহণ করেন। এই দরখাস্তে রোকেয়া বেগম তার স্বামীর স্থায়ী ঠিকানা দেন- ৪৯/বি, জল্লারপার,সিলেট ৩১০০। পাশাপাশি তার স্বামী মোঃ ছুরত আলীকে ‘দৈনিক সিলেট বাণী’র স্টাফ ফটোগ্রাফার’ বলে জানান। জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার দেন +১৯৮৯৯১৯৫০১৪৪৮২৭২৩। যা রোকেয়া বেগমের বা তার স্বামী মোঃ ছুরত আলী’র জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার নয়। এছাড়া রোকেয়া বেগম ও তার স্বামী মোঃ ছুরত আলী’র স্থায়ী ঠিকানা ৪৯/বি,জল্লারপার,সিলেট ৩১০০ নয় এবং এই সময়ে মোঃ ছুরত আলী দৈনিক সিলেট বাণী’র স্টাফ ফটোগ্রাফারও ছিলেন না। বরং এর আগ থেকেই মোঃ ছুরত আলী একাধিক দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক। মোঃ ছুরত আলী ও তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম তাদের নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রের ব্যাকসাইট বদলিয়ে জালিয়াতির আশ্রয়ে ৪৯/বি জল্লারপার বাসার কারোর জাতীয় পরিচয় পত্রের ব্যাক সাইট তার ও তার স্ত্রীর জাতীয় পরিচয় পত্রের ব্যাক সাইটে বসিয়ে ভুয়া স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করেন।
পাশাপাশি দৈনিক সিলেট বাণী’র ভুয়া পরিচয় দিয়ে সরকারের তথ্যমন্ত্রীর আদেশ নিয়ে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে স্ত্রীর নামে অনুদানের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ছুরত আলী দম্পতির জালিয়াতি ও প্রতারনার মাধ্যমে সরকারি নানা সুবিধে গ্রহণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অনেক বিরল তথ্য রয়েছে। যা ক্রমান্বয়ে প্রকাশ পাবে।
Leave a Reply