ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় আইন মেনেই পুকুর পুনঃখননের কাজ করেছি দাবি যুবদল নেতা জালাল উদ্দীন লিটনের

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০০:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ২৩ Time View
Print

মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ,স্টাফ রিপোর্টার:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিরুদ্ধে প্রচারিত বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দর্শনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জালাল উদ্দীন লিটন। তিনি দাবি করেন, সরকারি অনুমতি ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করেই নিজস্ব জমিতে পুকুর পুনঃখননের কাজ পরিচালনা করছেন এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে জালাল উদ্দীন লিটন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য খাতে কাজ করে আসছেন। নিজস্ব জমিতে পেয়ারা, কমলা, ড্রাগন, আঙুরসহ বিভিন্ন ফলের বাগান, সবজি চাষ, মাছের খামার এবং পোল্ট্রি খামার পরিচালনা করছেন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই তিনি পুকুর পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, পুকুর পুনঃখননের জন্য প্রথমে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হলে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনে পাঠানো হয়। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শর্তসাপেক্ষে পুকুর পুনঃখননের অনুমতি প্রদান করেন।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, প্রথম দফায় ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দ্বিতীয় দফায় ২১ মার্চ ২০২৬ তারিখে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০২৩) অনুযায়ী পুনরায় অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতিপত্রে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি বা বালু উত্তোলন ও বিক্রি না করারসহ বিভিন্ন শর্ত উল্লেখ রয়েছে, যা তিনি যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন বলে দাবি করেন।লিটনের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে অসত্য তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে উপস্থাপন করেছে। বিশেষ করে একটি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত সংবাদে বিভ্রান্তিকর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সরকারি অনুমতিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করার সুযোগ দেওয়া হলে প্রকৃত তথ্য উঠে আসবে এবং বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হবে। প্রয়োজনে তিনি সব নথিপত্র যে কোনো তদন্তকারী সংস্থার কাছে উপস্থাপন করতে প্রস্তুত বলেও জানান।একই সঙ্গে তিনি বলেন, যদি তার কোনো কর্মকাণ্ড আইনবিরোধী প্রমাণিত হয়, তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যে কোনো ব্যবস্থা তিনি মেনে নেবেন। পাশাপাশি, মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার সম্মান ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকারও তিনি সংরক্ষণ করেন।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন জালাল উদ্দীন লিটন।

Tag :
About Author Information

গোমস্তাপুরে মহান সান্তাল হুল  ১৭১ তম বর্ষপূতি উদযাপন দিবসে তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা, পদযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  

চুয়াডাঙ্গায় আইন মেনেই পুকুর পুনঃখননের কাজ করেছি দাবি যুবদল নেতা জালাল উদ্দীন লিটনের

Update Time : ১২:০০:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
Print

মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ,স্টাফ রিপোর্টার:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিরুদ্ধে প্রচারিত বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দর্শনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জালাল উদ্দীন লিটন। তিনি দাবি করেন, সরকারি অনুমতি ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করেই নিজস্ব জমিতে পুকুর পুনঃখননের কাজ পরিচালনা করছেন এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে জালাল উদ্দীন লিটন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য খাতে কাজ করে আসছেন। নিজস্ব জমিতে পেয়ারা, কমলা, ড্রাগন, আঙুরসহ বিভিন্ন ফলের বাগান, সবজি চাষ, মাছের খামার এবং পোল্ট্রি খামার পরিচালনা করছেন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই তিনি পুকুর পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, পুকুর পুনঃখননের জন্য প্রথমে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হলে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনে পাঠানো হয়। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শর্তসাপেক্ষে পুকুর পুনঃখননের অনুমতি প্রদান করেন।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, প্রথম দফায় ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দ্বিতীয় দফায় ২১ মার্চ ২০২৬ তারিখে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০২৩) অনুযায়ী পুনরায় অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতিপত্রে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি বা বালু উত্তোলন ও বিক্রি না করারসহ বিভিন্ন শর্ত উল্লেখ রয়েছে, যা তিনি যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন বলে দাবি করেন।লিটনের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে অসত্য তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে উপস্থাপন করেছে। বিশেষ করে একটি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত সংবাদে বিভ্রান্তিকর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সরকারি অনুমতিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করার সুযোগ দেওয়া হলে প্রকৃত তথ্য উঠে আসবে এবং বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হবে। প্রয়োজনে তিনি সব নথিপত্র যে কোনো তদন্তকারী সংস্থার কাছে উপস্থাপন করতে প্রস্তুত বলেও জানান।একই সঙ্গে তিনি বলেন, যদি তার কোনো কর্মকাণ্ড আইনবিরোধী প্রমাণিত হয়, তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যে কোনো ব্যবস্থা তিনি মেনে নেবেন। পাশাপাশি, মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার সম্মান ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকারও তিনি সংরক্ষণ করেন।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন জালাল উদ্দীন লিটন।