নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গতকাল দুপুর দুইটায় মিনহাজ খেলতে গিয়ে বল পড়ে যায় সেপ্টি ট্যাংকিতে।আর সেই বল আনতে গিয়ে সেপ্টি ট্যাংকিতে পড়ে গিয়ে প্রাণ হারালো ছয় বছরের শিশু মিনহাজুর রহমান।এমন হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটে চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার কালাপানিয়া ইউনিয়নের আজাদ মাষ্টারের বাড়িতে।
মিনহাজুর রহমানের পিতার নাম মনিরুল ইসলাম(বিডিআর মনির)।পিতা-মাতার একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে এখনো মা অচেতন আর বাবার অবস্থা খুবই খারাপ।মনিরুল ইসলামের একমাত্র সন্তান মিনহাজ ছিলেন তাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন।মিনহাজকে হারিয়ে পুরো বাড়ি থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য যে,শিশু মিনহাজ যেই সেপ্টি ট্যাংকিতে পড়ে প্রাণ হারায় সেই সেপ্টি ট্যাংকি এক বছর ধরে খোলা পড়ে আছে।সেপ্টি ট্যাংকির উপরে পুরো খোলা আর ভিতরে সব পানি।এক বছর ধরে এইভাবে একটা সেপ্টি ট্যাংকি খোলা রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন অনেকেই।
গ্রাম বাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়,বাড়ির দরজার পাশে এইভাবে যদি সেপ্টি ট্যাংকি খোলা না থাকতো হয়তো আজকে এই বিপদ নাও হতে পারতো।বাড়িতে আরো ছোট ছোট বাচ্চারা রয়েছে এইভাবে সেপ্টি ট্যাংকি খোলা রাখলে বাচ্চাদের জন্য এটা নিতান্তই মৃত্যুফাদ এবং প্রমানিত।বেশিরভাগ গ্রামবাসী এই বিষয়ে নানা ধরনের বক্তব্য করে যাচ্ছেন।
অনেকেরই ধারণা এইভাবে সেপ্টি ট্যাংকি খোলা না থাকলে আজকে এইভাবে একটা মায়ের বুক খালী হতো না।অচেতনতাকেই দায়ী করলেন এলাকাবাসী।কোন সচেতন লোক এইভাবে এক বছর ধরে সেপ্তটি ট্যাংকি খোলা রাখতে পারেনা।ছাড়া এইভাবে এক বছর ধরে কি করে খোলা রাখে সেপ্টি ট্যাংকির উপরটা এই নিয়েই চলছে বিভিন্ন ধরনের মতবাত।
এই বিষয়ে শিশু মিনহাজের পরিবার কোন রকমের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে দেখা যায়।মিনহাজের পরিবারের কারো থেকে কোন ধরনের মন্তব্য পাওয়া না গেলেও একজন বাচ্চাও বুঝতে বাকী নেই যে,সেপ্টি ট্যাংকিই একটা শিশুর প্রাণ কেড়ে নিলো।
Leave a Reply