ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকানে ভাঙচুর ও গুলি, আহত ৫।  

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • ১২ Time View
Print

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায়, নিউ জামালপুর গ্লাস অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেটর নামের একটি দোকানে বাকিতে দোকানের পণ্য না দেওয়ায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তিনটি গুলি ছুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে হামলা চালায় এতে পাঁচজন আহত হয়েছে। (১২’ই মে ২০২৬) মঙ্গলবার, রাত ৮:টার দিকে উপজেলার মুলাইদ গ্রামের হাজ্বী কাছম আলী ফকির সুপারমার্কেটে অবস্থিত নিউ জামালপুর গ্লাস অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেট নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। যারা আহত হয়েছেন তাঁরা হলেন। মার্কেটের মালিক হাজ্বী কাছম আলী ফকিরের ছেলে কামাল ফকির, তাঁর ভাগনে সিয়াম, দোকানের ব্যবস্থাপক শাহিন, কর্মচারী শান্ত ও শ্যামল। যারা হামলা চালিয়েছেন তাঁরা হলেন, রানা ভান্ডারি (৪০) ও তাঁর ছোট ভাই মামুন (৩০)। তাঁরা কেওয়া গ্রামের নুরু কসাইয়ের ছেলে। নিউ জামালপুর গ্লাস অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেট নামের দোকানের মালিক ফয়সাল আহমেদ জানান, রানা ভান্ডারি বিভিন্ন সময় তাঁর দোকান থেকে থাইসহ বিভিন্ন ধরনের মালপত্র ক্রয় করেন। আগেই তাঁর কাছে টাকা পাওনা আছে। গত ৫ দিন আগে (৯’ই মে ২০২৬) শনিবার, রানা ভান্ডারি আমার দোকান থেকে ৭২ হাজার টাকার মালপত্র ক্রয়ের জন্য আসেন। এ সময় তিনি ৩০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন। মঙ্গলবার বাকি ৪২ হাজার টাকা পরিশোধ করে মালপত্র নেওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার বিকেলে থাই গ্লাস নিতে এলে পাওনা ৪২ হাজার টাকা চাওয়া হলেই, রানা ভান্ডারি উত্তেজিত হয়ে দোকানের কর্মচারী শ্যামলকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। পরে রাত ৮:,টার দিকে রানা ভন্ডারি ও তাঁর ভাই মামুনের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন একত্র হয়ে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় তাদের বাঁধা দিতে গেলে হামলায় মার্কেটের মালিক কামাল ফকির ও তাঁর ভাগনে সিয়াম, দোকানের ম্যানেজার শাহিন ও শান্ত আহত হন। ঘটনার সময় দোকান মালিক ফয়সালকে লক্ষ্য করে তিনটি গুলি ছোড়ে সৌভাগ্যক্রমে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ফরিদগঞ্জে ২০ বসতঘর পুড়ে ছাই, নিঃস্ব ১১ পরিবার

শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকানে ভাঙচুর ও গুলি, আহত ৫।  

Update Time : ০৯:১৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
Print

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায়, নিউ জামালপুর গ্লাস অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেটর নামের একটি দোকানে বাকিতে দোকানের পণ্য না দেওয়ায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তিনটি গুলি ছুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে হামলা চালায় এতে পাঁচজন আহত হয়েছে। (১২’ই মে ২০২৬) মঙ্গলবার, রাত ৮:টার দিকে উপজেলার মুলাইদ গ্রামের হাজ্বী কাছম আলী ফকির সুপারমার্কেটে অবস্থিত নিউ জামালপুর গ্লাস অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেট নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। যারা আহত হয়েছেন তাঁরা হলেন। মার্কেটের মালিক হাজ্বী কাছম আলী ফকিরের ছেলে কামাল ফকির, তাঁর ভাগনে সিয়াম, দোকানের ব্যবস্থাপক শাহিন, কর্মচারী শান্ত ও শ্যামল। যারা হামলা চালিয়েছেন তাঁরা হলেন, রানা ভান্ডারি (৪০) ও তাঁর ছোট ভাই মামুন (৩০)। তাঁরা কেওয়া গ্রামের নুরু কসাইয়ের ছেলে। নিউ জামালপুর গ্লাস অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেট নামের দোকানের মালিক ফয়সাল আহমেদ জানান, রানা ভান্ডারি বিভিন্ন সময় তাঁর দোকান থেকে থাইসহ বিভিন্ন ধরনের মালপত্র ক্রয় করেন। আগেই তাঁর কাছে টাকা পাওনা আছে। গত ৫ দিন আগে (৯’ই মে ২০২৬) শনিবার, রানা ভান্ডারি আমার দোকান থেকে ৭২ হাজার টাকার মালপত্র ক্রয়ের জন্য আসেন। এ সময় তিনি ৩০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন। মঙ্গলবার বাকি ৪২ হাজার টাকা পরিশোধ করে মালপত্র নেওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার বিকেলে থাই গ্লাস নিতে এলে পাওনা ৪২ হাজার টাকা চাওয়া হলেই, রানা ভান্ডারি উত্তেজিত হয়ে দোকানের কর্মচারী শ্যামলকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। পরে রাত ৮:,টার দিকে রানা ভন্ডারি ও তাঁর ভাই মামুনের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন একত্র হয়ে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় তাদের বাঁধা দিতে গেলে হামলায় মার্কেটের মালিক কামাল ফকির ও তাঁর ভাগনে সিয়াম, দোকানের ম্যানেজার শাহিন ও শান্ত আহত হন। ঘটনার সময় দোকান মালিক ফয়সালকে লক্ষ্য করে তিনটি গুলি ছোড়ে সৌভাগ্যক্রমে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।