ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকায় প্রবাসীর সংসার ভেঙে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও স্ত্রী,সঙ্গে টাকা-স্বর্ণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ১৬৭ Time View
Print

যশোর প্রতিনিধি : মোঃ রফিকুল ইসলাম সবুজ ভালোবাসার আড়ালে গড়ে ওঠা গোপন সম্পর্ক, তারপর একদিন হঠাৎ উধাও—যশোরে এমনই এক নাটকীয় ঘটনায় প্রবাসীর সংসার ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্ত্রীকে নিয়ে পরকীয়ার টানে পালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা কেরামত আলী গাজী (৮৩) কোতোয়ালী মডেল থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানান, তার ছেলে মুরশিদ গাজী প্রায় আড়াই বছর ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মরত। সংসারের ভবিষ্যৎ গড়ার আশায় বিদেশে পাড়ি জমানো সেই ছেলের স্ত্রী ইশিতা আক্তার (২৮) দুই সন্তান—ওমর (৮) ও ইউসুফ (৩)-কে নিয়ে শহরের শেখহাটি হঠাৎপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। অভিযোগে বলা হয়, সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে থাকে ইশিতার জীবনযাপন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা,অবাধ চলাফেরা আর পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে এক পর্যায়ে তিনি জড়িয়ে পড়েন নতুন সম্পর্কে। স্থানীয় ভেকুটিয়া এলাকার যুবক সোহেল রানার সঙ্গে গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠতা,যা ধীরে ধীরে রূপ নেয় গোপন প্রেমে। প্রতিবেশীদের চোখ এড়াতে সোহেলকে আত্মীয় পরিচয় দিতেন তিনি। এরপরই আসে সেই নাটকীয় মোড়। গত ২২ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে কেরামত আলী গাজী পুত্রবধূর বাসায় গিয়ে দেখেন দরজায় তালা ঝুলছে। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। একসময় জানা যায়, ইশিতা তার দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিক সোহেল রানার হাত ধরে অজানার পথে পাড়ি জমিয়েছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়,এই সম্পর্কে জড়াতে ইশিতাকে প্ররোচনা দিয়েছেন তার মা আকলিমা খাতুন। এমনকি প্রায় দেড় বছর আগে গোপনে সোহেল রানাকে বিয়েও করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে,এই পলায়নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বড় অঙ্কের অর্থ ও স্বর্ণালংকারের বিষয়ও। পরিবারের দাবি,বিদেশে যাওয়ার আগে মুরশিদ গাজী স্ত্রীর কাছে প্রায় ৭ লাখ টাকা ও চার ভরি স্বর্ণ রেখে যান। পরে বিদেশ থেকে আরও ৫ লাখ টাকা পাঠান। এসব অর্থ ও স্বর্ণ নিয়েই ইশিতা উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত থানার দ্বারস্থ হন পরিবারটি। কোতোয়ালী মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই আশরাফ জানিয়েছেন অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

অপরাধের বিরুদ্ধে আপসহীন খাঁটি নায়ক: নওগাঁ জেলার ‘সেরা ওসি’ ধামইরহাটের মিন্টু রহমান

যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকায় প্রবাসীর সংসার ভেঙে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও স্ত্রী,সঙ্গে টাকা-স্বর্ণ

Update Time : ১০:৫৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
Print

যশোর প্রতিনিধি : মোঃ রফিকুল ইসলাম সবুজ ভালোবাসার আড়ালে গড়ে ওঠা গোপন সম্পর্ক, তারপর একদিন হঠাৎ উধাও—যশোরে এমনই এক নাটকীয় ঘটনায় প্রবাসীর সংসার ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্ত্রীকে নিয়ে পরকীয়ার টানে পালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা কেরামত আলী গাজী (৮৩) কোতোয়ালী মডেল থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানান, তার ছেলে মুরশিদ গাজী প্রায় আড়াই বছর ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মরত। সংসারের ভবিষ্যৎ গড়ার আশায় বিদেশে পাড়ি জমানো সেই ছেলের স্ত্রী ইশিতা আক্তার (২৮) দুই সন্তান—ওমর (৮) ও ইউসুফ (৩)-কে নিয়ে শহরের শেখহাটি হঠাৎপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। অভিযোগে বলা হয়, সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে থাকে ইশিতার জীবনযাপন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা,অবাধ চলাফেরা আর পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে এক পর্যায়ে তিনি জড়িয়ে পড়েন নতুন সম্পর্কে। স্থানীয় ভেকুটিয়া এলাকার যুবক সোহেল রানার সঙ্গে গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠতা,যা ধীরে ধীরে রূপ নেয় গোপন প্রেমে। প্রতিবেশীদের চোখ এড়াতে সোহেলকে আত্মীয় পরিচয় দিতেন তিনি। এরপরই আসে সেই নাটকীয় মোড়। গত ২২ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে কেরামত আলী গাজী পুত্রবধূর বাসায় গিয়ে দেখেন দরজায় তালা ঝুলছে। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। একসময় জানা যায়, ইশিতা তার দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিক সোহেল রানার হাত ধরে অজানার পথে পাড়ি জমিয়েছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়,এই সম্পর্কে জড়াতে ইশিতাকে প্ররোচনা দিয়েছেন তার মা আকলিমা খাতুন। এমনকি প্রায় দেড় বছর আগে গোপনে সোহেল রানাকে বিয়েও করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে,এই পলায়নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বড় অঙ্কের অর্থ ও স্বর্ণালংকারের বিষয়ও। পরিবারের দাবি,বিদেশে যাওয়ার আগে মুরশিদ গাজী স্ত্রীর কাছে প্রায় ৭ লাখ টাকা ও চার ভরি স্বর্ণ রেখে যান। পরে বিদেশ থেকে আরও ৫ লাখ টাকা পাঠান। এসব অর্থ ও স্বর্ণ নিয়েই ইশিতা উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত থানার দ্বারস্থ হন পরিবারটি। কোতোয়ালী মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই আশরাফ জানিয়েছেন অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।