ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে পটুয়াখালী: ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • ৩১ Time View
Print

​খন্দকার জলিল, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

​টানা কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র রৌদ্রতাপ আর ভ্যাপসা গরমে পটুয়াখালী জেলাজুড়ে নেমে এসেছে চরম অস্বস্তি। সকাল গড়াতেই সূর্যের প্রখরতা এতটাই বেড়ে যায় যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তীব্র এই গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ। ​স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অতিরিক্ত বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক তীব্র ও কষ্টদায়ক হচ্ছে। দুপুরের দিকে তীব্র রোদের কারণে রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ছে; থমকে দাঁড়িয়েছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকার চাকা। রিকশাচালক, দিনমজুর ও ভ্যানচালকেরা তীব্র গরমে অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠছেন। জীবনযাত্রার তাগিদে বাইরে বের হলেও অনেকেই বাধ্য হয়ে গাছের ছায়ায় কিংবা ঠান্ডা পানীয়র দোকানে আশ্রয় নিচ্ছেন। তীব্র এই গরমের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পটুয়াখালীর স্বাস্থ্যখাতেও। হাসপাতালগুলোতে দিন দিন গরমজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি এবং পানিশূন্যতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চিকিৎসকেরা সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে শরীর সুস্থ রাখতে প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার খাওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এই তীব্র দাবদাহের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে জেলার কৃষিখাতেও। রোদের তীব্রতায় মাঠে বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না কৃষকেরা। সব মিলিয়ে পটুয়াখালীর সর্বস্তরের মানুষ এখন চাতক পাখির মতো চেয়ে আছেন এক পশলা বৃষ্টির আশায়। একটি স্বস্তির বৃষ্টির অপেক্ষায় এখন দিন গুনছে গোটা পটুয়াখালীবাসী।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের কেন্দ্রীয় সভাপতি খান সেলিম রহমান

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে পটুয়াখালী: ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত

Update Time : ০৯:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
Print

​খন্দকার জলিল, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

​টানা কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র রৌদ্রতাপ আর ভ্যাপসা গরমে পটুয়াখালী জেলাজুড়ে নেমে এসেছে চরম অস্বস্তি। সকাল গড়াতেই সূর্যের প্রখরতা এতটাই বেড়ে যায় যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তীব্র এই গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ। ​স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অতিরিক্ত বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক তীব্র ও কষ্টদায়ক হচ্ছে। দুপুরের দিকে তীব্র রোদের কারণে রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ছে; থমকে দাঁড়িয়েছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকার চাকা। রিকশাচালক, দিনমজুর ও ভ্যানচালকেরা তীব্র গরমে অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠছেন। জীবনযাত্রার তাগিদে বাইরে বের হলেও অনেকেই বাধ্য হয়ে গাছের ছায়ায় কিংবা ঠান্ডা পানীয়র দোকানে আশ্রয় নিচ্ছেন। তীব্র এই গরমের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পটুয়াখালীর স্বাস্থ্যখাতেও। হাসপাতালগুলোতে দিন দিন গরমজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি এবং পানিশূন্যতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চিকিৎসকেরা সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে শরীর সুস্থ রাখতে প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার খাওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এই তীব্র দাবদাহের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে জেলার কৃষিখাতেও। রোদের তীব্রতায় মাঠে বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না কৃষকেরা। সব মিলিয়ে পটুয়াখালীর সর্বস্তরের মানুষ এখন চাতক পাখির মতো চেয়ে আছেন এক পশলা বৃষ্টির আশায়। একটি স্বস্তির বৃষ্টির অপেক্ষায় এখন দিন গুনছে গোটা পটুয়াখালীবাসী।