ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ২৮ Time View
Print

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. আব্দুল মমিন আনসারী, নির্বাহী সম্পাদক দেওয়ান আজাদ পারভেজ এবং মানবাধিকারকর্মী আব্দুল ওয়াহেদ আজাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানির মামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)।

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ মনে করেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, নওগাঁ সদর উপজেলার খাস নওগাঁ এলাকার বাসিন্দা মো. শফিকুল ইসলাম শফিক জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের কারণে তাঁর সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

এ অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি নওগাঁর মুখ্য আমলি আদালতে দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১ ও ৫০৯ ধারায় একটি মানহানির মামলা দায়ের করেন।

মামলায় জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. আব্দুল মমিন আনসারী, নির্বাহী সম্পাদক দেওয়ান আজাদ পারভেজ এবং মানবাধিকারকর্মী আব্দুল ওয়াহেদ আজাদকে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খান সেলিম রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এ মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মানহানির মামলা দায়েরের প্রবণতা স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চার জন্য হুমকিস্বরূপ।
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অনিয়ম তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা জনস্বার্থে তথ্য অনুসন্ধান ও প্রকাশ করে থাকেন। সেই দায়িত্ব পালনের কারণে সাংবাদিকদের হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তারা আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংবিধানস্বীকৃত অধিকার। কোনো সংবাদে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে আইনানুগ ও ন্যায়সংগত উপায়ে প্রতিকার চাইতে পারেন। কিন্তু সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, হয়রানি কিংবা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের করা স্বাধীন গণমাধ্যমের চেতনার পরিপন্থী।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে নিরুৎসাহিত করে। এর ফলে সত্য ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। একই সঙ্গে সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিক সমাজ সব সময় সত্য, ন্যায় এবং জনস্বার্থের পক্ষে কাজ করে আসছে। তাই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়।

সংগঠনটির সভাপতি খান সেলিম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান বলেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মানহানির মামলাটি পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপদ ও স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট সব মহলের দায়িত্ব।

তাঁরা বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের পদক্ষেপ গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য অশনিসংকেত। তাই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

একই সঙ্গে সংগঠনটি স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে রাষ্ট্র, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সমাজের সব মহলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে।

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করে বলেন, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথ কখনোই মামলা-হয়রানির মাধ্যমে রুদ্ধ করা যায় না। তাই দ্রুত এই মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত কর্তৃক মামলাটি খারিজ করা হবে—এমন প্রত্যাশা সাংবাদিক সমাজের।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ।

সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ।

Update Time : ১১:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
Print

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. আব্দুল মমিন আনসারী, নির্বাহী সম্পাদক দেওয়ান আজাদ পারভেজ এবং মানবাধিকারকর্মী আব্দুল ওয়াহেদ আজাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানির মামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)।

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ মনে করেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, নওগাঁ সদর উপজেলার খাস নওগাঁ এলাকার বাসিন্দা মো. শফিকুল ইসলাম শফিক জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের কারণে তাঁর সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

এ অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি নওগাঁর মুখ্য আমলি আদালতে দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১ ও ৫০৯ ধারায় একটি মানহানির মামলা দায়ের করেন।

মামলায় জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. আব্দুল মমিন আনসারী, নির্বাহী সম্পাদক দেওয়ান আজাদ পারভেজ এবং মানবাধিকারকর্মী আব্দুল ওয়াহেদ আজাদকে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খান সেলিম রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এ মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মানহানির মামলা দায়েরের প্রবণতা স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চার জন্য হুমকিস্বরূপ।
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অনিয়ম তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা জনস্বার্থে তথ্য অনুসন্ধান ও প্রকাশ করে থাকেন। সেই দায়িত্ব পালনের কারণে সাংবাদিকদের হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তারা আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংবিধানস্বীকৃত অধিকার। কোনো সংবাদে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে আইনানুগ ও ন্যায়সংগত উপায়ে প্রতিকার চাইতে পারেন। কিন্তু সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, হয়রানি কিংবা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের করা স্বাধীন গণমাধ্যমের চেতনার পরিপন্থী।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে নিরুৎসাহিত করে। এর ফলে সত্য ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। একই সঙ্গে সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিক সমাজ সব সময় সত্য, ন্যায় এবং জনস্বার্থের পক্ষে কাজ করে আসছে। তাই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়।

সংগঠনটির সভাপতি খান সেলিম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান বলেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মানহানির মামলাটি পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপদ ও স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট সব মহলের দায়িত্ব।

তাঁরা বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের পদক্ষেপ গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য অশনিসংকেত। তাই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

একই সঙ্গে সংগঠনটি স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে রাষ্ট্র, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সমাজের সব মহলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে।

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করে বলেন, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথ কখনোই মামলা-হয়রানির মাধ্যমে রুদ্ধ করা যায় না। তাই দ্রুত এই মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত কর্তৃক মামলাটি খারিজ করা হবে—এমন প্রত্যাশা সাংবাদিক সমাজের।