
আসাদুজ্জামান আসাদ,স্টাফ রিপোর্টার:-
চুয়াডাঙ্গার মতো তীব্র তাপপ্রবণ এলাকায় সড়কের পাশের গাছ কাটাকে ঘিরে পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে আলমডাঙ্গায় রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের পাশের ৭টি কড়ই গাছের ডাল কাটার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গা শহরের কলেজ রোডসহ ২৬টি গাছ কাটার অনুমোদিত প্রক্রিয়া নিয়েও সামাজিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন পরিবেশ সচেতন মহল।
রক্ষক যখন ভক্ষকের ভূমিকায় দাঁড়ায়, তখন পরিবেশ রক্ষা আর আইনের শাসন—দুটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ একটি গাছ কাটলে মামলা হয়; কিন্তু প্রশাসন বা সরকারি কর্মকর্তার আলমডাঙ্গায় রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের পাশের ৭টি কড়ই গাছের ডাল কাটার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গা শহরের কলেজ রোডসহ ২৬টি গাছ কাটার অনুমোদিত প্রক্রিয়া নিয়েও সামাজিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন পরিবেশ সচেতন মহল।আলমডাঙ্গা রেলস্টেশনের অদূরে রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের সড়কের পাশে থাকা ৭টি ছোট-বড় কড়ই গাছের ডাল কেটে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে হারদী গ্রামের গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে দুপুরে গাছের ডালগুলো কাটান তিনি। পরে খবর পেয়ে জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা ডালগুলো জব্দ করেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গার বিনোদিয়া পীর সাহেবের ওয়ারিশদের কাছ থেকে জমি কিনে সেখানে কলার চারা রোপণ করেন গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস। ওই জমির পাশেই সড়কের ধারে থাকা কড়ই গাছগুলোতে শ্রমিক দিয়ে ডাল কাটানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে।স্থানীয় কয়েকজন যুবক গাছের ডাল কাটায় বাধা দেন এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। পরে বিষয়টি জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে সার্ভেয়ার শামসুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার শামসুল আলম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাটা ডালগুলো জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মামলার প্রস্তুতি চলছে।তবে অভিযোগ স্বীকার করে গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস বলেন, ‘আমার অধীনে থাকা জমির মধ্যে গাছগুলো রয়েছে। আমি গাছ কাটিনি, শুধু ডাল কাটা হয়েছে।
Reporter Name 









