ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টঙ্গী পশ্চিমে ওসির বিশেষ অভিযানে বদলে গেছে দৃশ্যপট: জনমনে স্বস্তি, কোণঠাসা মাদক ব্যাবসায়ীরা।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৫৩ Time View
Print

সেলিম মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার:

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) আওতাধীন টঙ্গী পশ্চিম থানায় যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব আরিফুর রহমান। মাদক, সন্ত্রাস ও জননিরাপত্তার প্রশ্নে তাঁর গৃহীত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ফলে পাল্টে গেছে এলাকার সামগ্রিক চিত্র। অপরাধীদের কাছে তিনি এখন এক আতঙ্কের নাম, আর সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন আস্থার প্রতীক।
থানা সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র দুই মাস অতিবাহিত হলেও ওসির নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। এই স্বল্প সময়ে থানা এলাকা থেকে মাদক কারবারি, মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীসহ ৭০০-এর অধিক আসামিকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ধারাবাহিক এই সাঁড়াশি অভিযানের ফলে এলাকায় মাদকের সরবরাহ ও ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এক সময় টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক কেনাবেচা, ছিনতাই ও চুরির মতো অপরাধ ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু ওসি আরিফুর রহমানের সাহসী পদক্ষেপ ও নিয়মিত টহল ব্যবস্থার কঠোরতায় অপরাধীরা এখন ওনেকটাই কোনঠাসা। কমেছে
ছিনতাই ও চুরির মতো অপরাধ,
“আগে সন্ধ্যার পর বাইরে বের হতে ভয় লাগত, এখন পুলিশের তৎপরতায় সেই আতঙ্ক অনেকটাই কেটে গেছে। আমরা ওসির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।”
পশ্চিম থানা এলাকার জনসাধারণ বলেন , ওসির দৃঢ় নেতৃত্ব ও আপসহীন ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে গেছে। হয়রানিমুক্ত আইনি সেবা নিশ্চিত করায় থানা এখন সাধারণ মানুষের প্রকৃত ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—মাদকসেবী আর ছোট কারবারিরা ধরা পড়লেও নেপথ্যের ‘রাঘব বোয়ালরা’ যেন ছাড় না পায়। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশের আইজিপি ও জিএমপি কমিশনারের দিকনির্দেশনায় টঙ্গী পশ্চিম থানাকে একটি আদর্শ ও মাদকমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। এ বিষয়ে ওসি আরিফুর রহমান জানান:”অপরাধী যে-ই হোক, অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলার লালমোহনে নারিকেল পাড়া কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আটক ৪

টঙ্গী পশ্চিমে ওসির বিশেষ অভিযানে বদলে গেছে দৃশ্যপট: জনমনে স্বস্তি, কোণঠাসা মাদক ব্যাবসায়ীরা।

Update Time : ১০:১১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
Print

সেলিম মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার:

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) আওতাধীন টঙ্গী পশ্চিম থানায় যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব আরিফুর রহমান। মাদক, সন্ত্রাস ও জননিরাপত্তার প্রশ্নে তাঁর গৃহীত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ফলে পাল্টে গেছে এলাকার সামগ্রিক চিত্র। অপরাধীদের কাছে তিনি এখন এক আতঙ্কের নাম, আর সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন আস্থার প্রতীক।
থানা সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র দুই মাস অতিবাহিত হলেও ওসির নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। এই স্বল্প সময়ে থানা এলাকা থেকে মাদক কারবারি, মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীসহ ৭০০-এর অধিক আসামিকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ধারাবাহিক এই সাঁড়াশি অভিযানের ফলে এলাকায় মাদকের সরবরাহ ও ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এক সময় টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক কেনাবেচা, ছিনতাই ও চুরির মতো অপরাধ ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু ওসি আরিফুর রহমানের সাহসী পদক্ষেপ ও নিয়মিত টহল ব্যবস্থার কঠোরতায় অপরাধীরা এখন ওনেকটাই কোনঠাসা। কমেছে
ছিনতাই ও চুরির মতো অপরাধ,
“আগে সন্ধ্যার পর বাইরে বের হতে ভয় লাগত, এখন পুলিশের তৎপরতায় সেই আতঙ্ক অনেকটাই কেটে গেছে। আমরা ওসির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।”
পশ্চিম থানা এলাকার জনসাধারণ বলেন , ওসির দৃঢ় নেতৃত্ব ও আপসহীন ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে গেছে। হয়রানিমুক্ত আইনি সেবা নিশ্চিত করায় থানা এখন সাধারণ মানুষের প্রকৃত ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—মাদকসেবী আর ছোট কারবারিরা ধরা পড়লেও নেপথ্যের ‘রাঘব বোয়ালরা’ যেন ছাড় না পায়। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশের আইজিপি ও জিএমপি কমিশনারের দিকনির্দেশনায় টঙ্গী পশ্চিম থানাকে একটি আদর্শ ও মাদকমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। এ বিষয়ে ওসি আরিফুর রহমান জানান:”অপরাধী যে-ই হোক, অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।”