ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে বিষক্রিয়ায় চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ২২ Time View
Print

বুধবার (২০ মে) বিকেলে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন– ইমাম হোসেন (৩০), হৃদয় মিয়া (২৫), মেহেদী (২২) ও আরমান (৩০)। তাদের মধ্যে তিনজনের বাড়ি গলানিয়া গ্রামে এবং অপরজনের বাড়ি একই উপজেলার ধরন্তি গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে গলানিয়া গ্রামের বাসিন্দা আলী মিয়ার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নামেন হৃদয় ও মেহেদী। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা ওপরে না উঠলে সন্দেহ হয়। পরে তাদের খোঁজ নিতে একে একে ট্যাংকে নামেন আরমান ও ইমাম। এতে চারজনই বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেপটিক ট্যাংক থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। সরাইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার রিয়াজ মোহাম্মদ জানান, প্রাথমিকভাবে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুর কাদের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। পরে লাশ থানায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ঝিনাইদহ জেলা শাখার উদ্যোগে ঝিনাইদহের দরিদ্র নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ ও ফ্রিজিং কফিন গাড়ির উদ্বোধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে বিষক্রিয়ায় চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

Update Time : ০৬:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
Print

বুধবার (২০ মে) বিকেলে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন– ইমাম হোসেন (৩০), হৃদয় মিয়া (২৫), মেহেদী (২২) ও আরমান (৩০)। তাদের মধ্যে তিনজনের বাড়ি গলানিয়া গ্রামে এবং অপরজনের বাড়ি একই উপজেলার ধরন্তি গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে গলানিয়া গ্রামের বাসিন্দা আলী মিয়ার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নামেন হৃদয় ও মেহেদী। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা ওপরে না উঠলে সন্দেহ হয়। পরে তাদের খোঁজ নিতে একে একে ট্যাংকে নামেন আরমান ও ইমাম। এতে চারজনই বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেপটিক ট্যাংক থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। সরাইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার রিয়াজ মোহাম্মদ জানান, প্রাথমিকভাবে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুর কাদের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। পরে লাশ থানায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।