ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একটানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। এমন অবস্থায় বুধবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আন্তঃপরীক্ষা ও ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৬৫ Time View
Print

এস এম জসিম, বিশেষ প্রতিনিধি:

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ বশির আহমদ বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে নগরের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, নগরীর চান্দগাঁও, শুলকবহর,ষোলশহর, বহদ্দারহাট, মোহরা, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, বাদামতলী, বাকলিয়া, কাতালগঞ্জ, হালিশহর, পতেঙ্গা, চকবাজার ও বন্দর এলাকার নিম্নাঞ্চলে বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যায়। অধিকাংশ এলাকায় ছোট যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

টানা বৃষ্টির কারণে অনেক বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে পড়ে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি বজায় থাকবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়া ঐক্য সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত।

একটানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। এমন অবস্থায় বুধবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আন্তঃপরীক্ষা ও ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।

Update Time : ১২:০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
Print

এস এম জসিম, বিশেষ প্রতিনিধি:

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ বশির আহমদ বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে নগরের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, নগরীর চান্দগাঁও, শুলকবহর,ষোলশহর, বহদ্দারহাট, মোহরা, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, বাদামতলী, বাকলিয়া, কাতালগঞ্জ, হালিশহর, পতেঙ্গা, চকবাজার ও বন্দর এলাকার নিম্নাঞ্চলে বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যায়। অধিকাংশ এলাকায় ছোট যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

টানা বৃষ্টির কারণে অনেক বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে পড়ে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি বজায় থাকবে।