ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টঙ্গীতে অভিযানে ধরাছোঁয়ার বাইরে অভিযোগভুক্ত নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্বেগে এলাকাবাসী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৪৪ Time View
Print

রিনা আক্তার আখি,

স্টাফ রিপোর্টার

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাদক বাণিজ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, আলোচিত কয়েকজন নারী মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া গেলে গাজীপুর জেলা জেলায় মাদক ব্যবসা অন্তত ৮০ শতাংশ কমে আসতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টঙ্গীর মাজার বস্তির লাইলী, এরশাদ নগরের পারুলী, কেরানিটেক এলাকার রুনা ও কারিমা, ব্যাংকের মাঠ এলাকার আফরিনা এবং মোমেলা—এই কয়েকজনকে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার মূল হোতা হিসেবে অভিযোগ করে আসছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে একের পর এক অভিযান পরিচালিত হলেও এসব অভিযানের পরও তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে।
এলাকার সচেতন মহলের মতে, মাদক ব্যবসার এই নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে হলে কার্যকর গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা এবং অভিযানে কঠোরতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তাদের ভাষ্য, “মাদক নির্মূলে ধারাবাহিক ও সমন্বিত পদক্ষেপ ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও সক্রিয় ভূমিকা এখন সময়ের দাবি।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিকের রক্তেই গণতন্ত্র সমুন্নত থাকবে: নাটোরে হুইপ দুলু

টঙ্গীতে অভিযানে ধরাছোঁয়ার বাইরে অভিযোগভুক্ত নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্বেগে এলাকাবাসী

Update Time : ০৬:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
Print

রিনা আক্তার আখি,

স্টাফ রিপোর্টার

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাদক বাণিজ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, আলোচিত কয়েকজন নারী মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া গেলে গাজীপুর জেলা জেলায় মাদক ব্যবসা অন্তত ৮০ শতাংশ কমে আসতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টঙ্গীর মাজার বস্তির লাইলী, এরশাদ নগরের পারুলী, কেরানিটেক এলাকার রুনা ও কারিমা, ব্যাংকের মাঠ এলাকার আফরিনা এবং মোমেলা—এই কয়েকজনকে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার মূল হোতা হিসেবে অভিযোগ করে আসছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে একের পর এক অভিযান পরিচালিত হলেও এসব অভিযানের পরও তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে।
এলাকার সচেতন মহলের মতে, মাদক ব্যবসার এই নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে হলে কার্যকর গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা এবং অভিযানে কঠোরতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তাদের ভাষ্য, “মাদক নির্মূলে ধারাবাহিক ও সমন্বিত পদক্ষেপ ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও সক্রিয় ভূমিকা এখন সময়ের দাবি।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।