
শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কান্দি গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর মেয়ের বসতঘর ভাঙচুর এবং ঘরে থাকা মালামাল ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে।গত বুধবার(২১অক্টোবর২০২৬) রাত ৮টা এ ঘটনায় সুমন খাঁ ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী রুমা আক্তার। ঘটনার পর থেকে মা-মেয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ভুক্তভোগী রুমা আক্তার জানান, তাঁর মা লাইলী বেগম ও তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নানা মৃত ছবি ঢালি এবং নানির মালিকানাধীন ১০ শতাংশ জমিতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। ওই জমি নিয়ে একই এলাকার সুমন খাঁ ও রোকন ঢালির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
রুমার ভাষ্য অনুযায়ী, রোকন ঢালি তাঁর মা লাইলী বেগমের সৎ ভাই এবং সম্পর্কে তাঁর সৎ মামা। অন্যদিকে, সুমন খাঁ ও রোকন ঢালি পরস্পরের খালাতো ভাই। তাঁদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না মা-মেয়ে
রুমা আক্তার বলেন, ঘটনার সময় আমি ও আমার মা বাড়িতে ছিলাম না। আমরা শরীয়তপুরের কাজিরহাট এলাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করি। কাজের কারণে মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসি। পরে স্থানীয় আত্মীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি, আমার বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ঘরে থাকা মালামাল ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে বাড়িতে এসে ঘরের ভাঙচুরের চিহ্ন দেখতে পাই। আমার অভিযোগ, সুমন খাঁ মালামাল ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে তিনি ও তাঁর মা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাঁরা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত বুধবার ২১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তাঁদের বসতঘরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘরের টিনের বেড়া, জানালা ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সরেজমিনে ঘরের টিনের বেড়া দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া এবং জানালা ভাঙা অবস্থায় দেখা গেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মরিয়ম আক্তার ও তাঁর স্বামী রুবেল খান বলেন সুমন খাঁ তাঁর বাড়িঘর ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছেন।
অভিযুক্তের পরিবারের পাল্টা বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সুমন খাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর বাড়িতে থাকা মা দাবি করেন, রুমা ও তাঁর মা ওই ঘরে বসবাস করেন না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, খালি ঘরে রোকন ঢালি নিশার আখড়া তৈরি করেছেন। তবে এ বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
পুলিশের বক্তব্য
এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
HM
Compose
Write to দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ নিউজ গ্রুপ
Reporter Name 


















