ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বর্ষণের কারণে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ৩৯ Time View
Print

এস এম জসিম, বিশেষ প্রতিনিধি:

রোববার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতের বিভিন্ন সময়ে এই পাহাড় ধসের ঘটনাগুলো ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথম উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে। সেখানে পাহাড়ধসে রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ কামাল হোসাইন (৪৪)-এর বসতঘর মাটিচাপা পড়ে। পরে উদ্ধারকারীরা কামাল হোসাইন, তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের চার বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ আনাসের মরদেহ উদ্ধার করেন।

এর কিছুক্ষণ পর কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৭ ব্লকে পাহাড় থেকে নেমে আসা মাটির নিচে চাপা পড়ে একরাম (৭) নামে এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়। সে ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ রশিদের ছেলে।

পরে বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে আরও একটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে উম্মে হাবিবা (২৭), তার বোন তানজিনা আক্তার (১৩), মোহাম্মদ রশিদের ছেলে মোহাম্মদ রিহান (৫) এবং হারুনুর রশিদ (৩) নিহত হয়। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, ভারী বর্ষণের মধ্যে পাহাড়ধসের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। পৃথক তিনটি ঘটনায় মোট আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৮ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গতকালও মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন,

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির কৃষি ভর্তুকির দ্বিতীয় ধাপের অনুদান বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ভোগান্তিতে ফতেপুর ইউনিয়নের কৃষকরা

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বর্ষণের কারণে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

Update Time : ১১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
Print

এস এম জসিম, বিশেষ প্রতিনিধি:

রোববার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতের বিভিন্ন সময়ে এই পাহাড় ধসের ঘটনাগুলো ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথম উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে। সেখানে পাহাড়ধসে রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ কামাল হোসাইন (৪৪)-এর বসতঘর মাটিচাপা পড়ে। পরে উদ্ধারকারীরা কামাল হোসাইন, তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের চার বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ আনাসের মরদেহ উদ্ধার করেন।

এর কিছুক্ষণ পর কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৭ ব্লকে পাহাড় থেকে নেমে আসা মাটির নিচে চাপা পড়ে একরাম (৭) নামে এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়। সে ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ রশিদের ছেলে।

পরে বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে আরও একটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে উম্মে হাবিবা (২৭), তার বোন তানজিনা আক্তার (১৩), মোহাম্মদ রশিদের ছেলে মোহাম্মদ রিহান (৫) এবং হারুনুর রশিদ (৩) নিহত হয়। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, ভারী বর্ষণের মধ্যে পাহাড়ধসের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। পৃথক তিনটি ঘটনায় মোট আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৮ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গতকালও মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন,