
এম.এ আরিফ চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার:
বগুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে সুইপার পট্টি, চকসূত্রাপুর, হাড্ডিপট্টি, পুরান বগুড়া, হেলেঞ্চাপাড়া, মাদলা পাঁচমাইল, বেজোড়া, গণ্ডগ্রাম, লতিফপুর কলোনি, চকলকমান, রানীরহাট, বীরগ্রাম ও শাবরুলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন এসব এলাকায় মাদক কেনাবেচা চললেও অধিকাংশ সময় মাদকসেবীরা আটক হলেও অভিযোগ অনুযায়ী মূল ব্যবসায়ীরা আইনের আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। ফলে মাদকবিরোধী অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে নিজেদের প্রভাবশালী দাবি করেন এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে থাকেন। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে জানান, প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার চেষ্টা করছে। তারা বলেন, কোনো অপরাধীই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অভিযোগের সত্যতা ও পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মাদক নির্মূলে জনসচেতনতা এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো এলাকায় মাদকসংক্রান্ত তথ্য থাকলে তা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মাদক সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মাদক ব্যবসার মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসন, স্থানীয় জনগণ ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
Reporter Name 


















