
আসাদুজ্জামান আসাদ
স্টাফ রিপোর্টার:
কেরুজ আঙিনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন কেরুজ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাব্বিক হাসান। কেরুজ আঙিনাকে আরও সবুজে ঘেরা পরিবেশে রূপান্তর এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
গতকাল রোববার সকাল ১০টায় কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্স-সংলগ্ন মাঠে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান।
এ সময় তিনি বলেন, “গাছ আমাদের পরিবেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং ফলজ, বনজ ও ঔষধি সম্পদের অন্যতম উৎস। বৃক্ষের পাতা, ফল ও বীজ আমাদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বৃক্ষ থেকে আহরিত তন্তু দিয়ে পরিধেয় বস্ত্র তৈরি করা হয়। এছাড়া গাছের কাঠ দিয়ে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, কাগজ ও পেনসিলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী প্রস্তুত করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “গাছ শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং মাটিক্ষয় রোধ, বন্যা প্রতিরোধ, ঝড়-তুফানের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে জীবন ও সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণেও বৃক্ষের অবদান অপরিসীম। গাছ না থাকলে পৃথিবী একসময় মরুভূমিতে পরিণত হতো। জীবজগৎকে ছায়া দিয়ে পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলের বৃক্ষ জলীয় বাষ্পসমৃদ্ধ বায়ুকে ঘনীভূত করে বৃষ্টিপাতে সহায়তা করে। উদ্ভিদের সংখ্যা কমে গেলে বৃষ্টিপাতেও তারতম্য দেখা দেয়। তাই গাছ আমাদের অমূল্য বনজসম্পদ। প্রয়োজনে একটি গাছ কাটতে হলে অন্তত তিনটি গাছ রোপণ করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেরুজ চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) আশরাফুল আলম ভূঁইয়া, মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) সুমন কুমার সাহা, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) আব্দুছ ছাত্তার, মহাব্যবস্থাপক (ডিস্টিলারি) রাজিবুল হাসান, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ওমর ফারুক গালিব, উপমহাব্যবস্থাপক (সম্প্রসারণ) মাহবুবুর রহমান, ব্যবস্থাপক (খামার) সুমন কুমার সাহা, ব্যবস্থাপক (পরিবহন ও প্রকৌশল) আবু সাঈদ, ব্যবস্থাপক (বীজ পরিদর্শন) দেলোয়ার হোসেন, ফার্ম ইনচার্জ এমদাদুল হকসহ কেরুজ চিনিকলের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
Reporter Name 
























