
মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ।
স্টাফ রিপোর্টার:-
চুয়াডাঙ্গায় জেলায় দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে মাদকের বিস্তার। শহরের বিভিন্ন অলিগলি, পাড়া-মহল্লা এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশেও সহজলভ্য হয়ে উঠেছে মাদকদ্রব্য। উদ্বেগজনক বিষয় হলো উঠতি বয়সী স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরাও ক্রমশ এই মাদকের ভয়াল থাবায় জড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু অসাধু চক্র কৌশলে তরুণদের টার্গেট করে তাদের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে ইয়াবা গাঁজা ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য। অনেক ক্ষেত্রে বন্ধুবান্ধবের মাধ্যমে বা কৌতূহলবশত প্রথমে মাদক গ্রহণ শুরু করলেও পরবর্তীতে তা ভয়ংকর আসক্তিতে রূপ নিচ্ছে। এতে করে নষ্ট হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ, বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। অভিভাবক ও সচেতন মহল বলছেন, প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হলেও তা যথেষ্ট নয়। মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হলে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। একজন অভিভাবক বলেন, আমাদের সন্তানেরা কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে সেদিকে আরও বেশি নজর দিতে হবে। নইলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে পড়বে। সচেতন নাগরিকদের মতে, যদি এখনই কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা না যায় তবে চুয়াডাঙ্গা সহ পুরো দেশ ভয়াবহ সামাজিক সংকটের দিকে ধাবিত হতে পারে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিয়মিত অভিযান ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবিক পরিবর্তন দেখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, ধ্বংস করে একটি পরিবার, একটি সমাজ, এমনকি পুরো জাতিকেও। তাই এখনই সময় সবাইকে একসাথে দাঁড়িয়ে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে
Reporter Name 

















