ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

# ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে বিএনপির সভা-সমাবেশের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৪৫ Time View
Print

*স্টাফ রিপোর্টার, ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর):*

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর, লাঞ্ছনা ও হুমকি-ধমকির প্রতিবাদে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের সভা-সমাবেশের সংবাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিকরা। বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি প্রতিবাদ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল। সভা সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া।

সভায় সাংবাদিকদের বক্তব্য ও অভিযোগ শোনার পর সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত হামলা, মারধর, লাঞ্ছনা ও হুমকির প্রতিবাদে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের সভা-সমাবেশের সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

### সমঝোতার পরও সাংবাদিককে খোঁজাখুঁজির অভিযোগ

সভায় জানানো হয়, কয়েক দিন আগে দৈনিক ইত্তেফাকের ফরিদগঞ্জ সংবাদদাতা ও সহকারী অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিনকে ফরিদগঞ্জ বাজারে প্রকাশ্যে মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরদিনই জরুরি সভা আহ্বান করে প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি জানতে পেরে সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন হারুনুর রশিদ সভায় উপস্থিত হন। তাঁর অনুরোধে সমঝোতার প্রস্তাব গ্রহণ করেন সাংবাদিকরা। তবে সমঝোতার পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে পুনরায় সাংবাদিক মো. মহিউদ্দিনকে খোঁজাখুঁজি করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত সাংবাদিক শিমুল হাসানকে মারধরের উদ্দেশ্যে ধাওয়া করা হয়। পরে উপস্থিত অন্যরা তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।

এ ঘটনায় ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করেও হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবাদ সভায় অভিযোগ তোলা হয়। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে জানান উপস্থিত সাংবাদিকরা।

### বিভিন্ন স্থানে সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও হুমকির অভিযোগ

প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বাধা, অসদাচরণ ও হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংবাদ সংগ্রহের সময় কথিত দালাল চক্রের বাধার সম্মুখীন হওয়ার অভিযোগও তোলেন তাঁরা।

এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ এলাকায় টেন্ডারসংক্রান্ত ঘটনায় অসদাচরণ এবং থানা এলাকায় সাংবাদিকদের হুমকি ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ তুলে ধরেন সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা।

সভায় আরও অভিযোগ করা হয়, কয়েকজন সাংবাদিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, তাঁদের নিরাপত্তাহীনতা এবং সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা।

তাঁরা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা। এসব ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

### পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান হলে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা

সভায় আরও জানানো হয়, ফরিদগঞ্জে বর্তমানে বিএনপির কোনো আনুষ্ঠানিক কমিটি নেই। তবে দলটির নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা সাংবাদিকদের প্রতি নেতাকর্মীদের হুমকি-ধমকি ও অসদাচরণ বন্ধে পৃথক বা সম্মিলিতভাবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উদ্যোগ নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান করতে পারলে সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ রয়েছে। তবে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের সভা-সমাবেশের সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

### প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন যাঁরা

ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত জরুরি প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান ও নুরুন্নবী নোমান; সিনিয়র সহ-সভাপতি এমকে মানিক পাঠান; সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী, আবদুস ছোবহান লিটন ও নুরুল ইসলাম ফরহাদ; বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিন ও দেলোয়ার হোসেন বেলাল; সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিন খাঁন স্বপন; সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মমিন; দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন ফারুক; প্রচার-ক্রীড়া সম্পাদক মেহেদী হাসান; প্রকাশনা-পাঠাগার সম্পাদক আমান উল্যাহ খাঁন ফারাবী; আইসিটি সম্পাদক ফাহাদ খাঁন; সাংস্কৃতিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য নারায়ন রবিদাস, এসএম ইকবাল, শিমুল হাসান ও আনিসুর রহমান সুজন এবং সদস্য এমরান হোসেন লিটন, জাকির হোসেন সৈকত, মাসুম আলম তালুকদার, তাপস চক্রবর্তী, মামুন হোসাইন, আব্দুল কাদির, ফখরুল আলম পাঠান, কেএম নজরুল ইসলাম, শামীম হাসান, এফএ মানিক, সাখাওয়াত হোসেন মিন্টু, আঃ মান্নান টিপুসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্য সভায় বক্তব্য দেন।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা, লাঞ্ছনা ও হুমকির অভিযোগের প্রতিবাদে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ফরিদগঞ্জে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

# ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে বিএনপির সভা-সমাবেশের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা

# ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে বিএনপির সভা-সমাবেশের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা

Update Time : ০৯:০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Print

*স্টাফ রিপোর্টার, ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর):*

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর, লাঞ্ছনা ও হুমকি-ধমকির প্রতিবাদে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের সভা-সমাবেশের সংবাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিকরা। বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি প্রতিবাদ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল। সভা সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া।

সভায় সাংবাদিকদের বক্তব্য ও অভিযোগ শোনার পর সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত হামলা, মারধর, লাঞ্ছনা ও হুমকির প্রতিবাদে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের সভা-সমাবেশের সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

### সমঝোতার পরও সাংবাদিককে খোঁজাখুঁজির অভিযোগ

সভায় জানানো হয়, কয়েক দিন আগে দৈনিক ইত্তেফাকের ফরিদগঞ্জ সংবাদদাতা ও সহকারী অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিনকে ফরিদগঞ্জ বাজারে প্রকাশ্যে মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরদিনই জরুরি সভা আহ্বান করে প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি জানতে পেরে সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন হারুনুর রশিদ সভায় উপস্থিত হন। তাঁর অনুরোধে সমঝোতার প্রস্তাব গ্রহণ করেন সাংবাদিকরা। তবে সমঝোতার পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে পুনরায় সাংবাদিক মো. মহিউদ্দিনকে খোঁজাখুঁজি করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত সাংবাদিক শিমুল হাসানকে মারধরের উদ্দেশ্যে ধাওয়া করা হয়। পরে উপস্থিত অন্যরা তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।

এ ঘটনায় ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করেও হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবাদ সভায় অভিযোগ তোলা হয়। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে জানান উপস্থিত সাংবাদিকরা।

### বিভিন্ন স্থানে সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও হুমকির অভিযোগ

প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বাধা, অসদাচরণ ও হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংবাদ সংগ্রহের সময় কথিত দালাল চক্রের বাধার সম্মুখীন হওয়ার অভিযোগও তোলেন তাঁরা।

এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ এলাকায় টেন্ডারসংক্রান্ত ঘটনায় অসদাচরণ এবং থানা এলাকায় সাংবাদিকদের হুমকি ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ তুলে ধরেন সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা।

সভায় আরও অভিযোগ করা হয়, কয়েকজন সাংবাদিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, তাঁদের নিরাপত্তাহীনতা এবং সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা।

তাঁরা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা। এসব ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

### পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান হলে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা

সভায় আরও জানানো হয়, ফরিদগঞ্জে বর্তমানে বিএনপির কোনো আনুষ্ঠানিক কমিটি নেই। তবে দলটির নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা সাংবাদিকদের প্রতি নেতাকর্মীদের হুমকি-ধমকি ও অসদাচরণ বন্ধে পৃথক বা সম্মিলিতভাবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উদ্যোগ নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান করতে পারলে সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ রয়েছে। তবে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের সভা-সমাবেশের সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

### প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন যাঁরা

ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত জরুরি প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান ও নুরুন্নবী নোমান; সিনিয়র সহ-সভাপতি এমকে মানিক পাঠান; সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী, আবদুস ছোবহান লিটন ও নুরুল ইসলাম ফরহাদ; বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিন ও দেলোয়ার হোসেন বেলাল; সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিন খাঁন স্বপন; সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মমিন; দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন ফারুক; প্রচার-ক্রীড়া সম্পাদক মেহেদী হাসান; প্রকাশনা-পাঠাগার সম্পাদক আমান উল্যাহ খাঁন ফারাবী; আইসিটি সম্পাদক ফাহাদ খাঁন; সাংস্কৃতিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য নারায়ন রবিদাস, এসএম ইকবাল, শিমুল হাসান ও আনিসুর রহমান সুজন এবং সদস্য এমরান হোসেন লিটন, জাকির হোসেন সৈকত, মাসুম আলম তালুকদার, তাপস চক্রবর্তী, মামুন হোসাইন, আব্দুল কাদির, ফখরুল আলম পাঠান, কেএম নজরুল ইসলাম, শামীম হাসান, এফএ মানিক, সাখাওয়াত হোসেন মিন্টু, আঃ মান্নান টিপুসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্য সভায় বক্তব্য দেন।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা, লাঞ্ছনা ও হুমকির অভিযোগের প্রতিবাদে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ফরিদগঞ্জে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।