ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহিপুুরের কাঠপট্রি রোডে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নদীর পাড়ের সরকারি খাস জমি দখল।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ২৭ Time View
Print

কলাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি, মোঃ রহিম শিকদার:

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার বাজারের কাঠপট্রি রোডের নদীর পাড়ের খাস জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গভীর রাতের অন্ধকারে নদীর পাড় দখল করে রাতারাতি ঘর উত্তোলন করেছে ফারুক হোসেন( পিতা-মোস্তফা, সাং মহিপুর) এর বিরুদ্ধে।

অভিযোগ উঠছে প্রভাবশালীরা দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে সরকারি খাস জমি দখলে ফারুক হোসেন কে সহায়তা করেছ এছাড়া মহিপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাশেও উঠছে খাল দখল করে ঘর। স্হানীয়রা জানান কে বা কাহারা অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ফারুক কে খাস জমিতে ঘর উত্তোলনে সহায়তা করেছে। এতোদিন নদীর পাড় খালি ছিল। হঠাৎ সকালে এসে দেখা যায় ঘর উত্তোলন করা হয়েছে। মহিপুর মৎস্য বন্দর হওয়ায় সমূদ্র হতে মাছ শিকার করে দূর দূরান্তের জেলেরা তাদের ট্রলার নদীর তীরে নোঙর করে রাখে। এভাবে অবৈধ ঘর উত্তোলন করে নদীর তীর দখল করলে সামুদ্রিক ট্রলার নোঙর করার জায়গা পাবেনা। জেলেরা মহিপুর মৎস্য বন্দর হতে অন্যত্র চলে যাবে। এছাড়া নদীর পাড় এভাবে দখল হলে নদীর নাব্যতা ব্যহত হবে ফলে নদীর পানির প্রবাহ বাঁধা গ্রস্হ হবে। এমনিতেই মহিপুরের নদীর পাড় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহল অবৈধভাবে দখল করে অবৈধ অর্থের বানিজ্য করেছে এবং সরকারি খাস জমি দখল করে ঘর উত্তোলন বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। ইতিপূর্বে বিগত সরকারের সময় প্রভাবশালীরা অবৈধ অর্থের বিনিময়ে মহিপুরের নদীর তীর দখল করে নদীর প্রশস্ততা ছোট করে ফেলেছে।পুনরায় একই পদ্ধতি অনুসরণ করে বর্তমানে কিছু প্রভাবশালী মহল অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নদীর পাড় দখল করছে এবং ভবিষ্যতে দখলের পায়তারা চালাচ্ছে।দখলের পর একের পর এক জমি হাত বদল হচ্ছে। এখন আর পূর্বের নদী নেই। একদিকে সমূদ্রের ফাতরার চর সংলগ্ন খালগোড়ার সাগরের মোহনা নাব্যতা হারিয়ে ভরাট হয়ে গেছে। যার দরুন বড় লঞ্চ বা জাহাজ সাগরের মোহনা দিয়ে মহিপুরে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি ভাটার সময় সমূদ্রের মাছ ধরা ট্রলার মোহনা দিয়ে মহিপুরে আসতে পারে না। মহিপুরের স্হানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এভাবে মহিপুর বাজার সংলগ্ন নদীর তীর বেদখল হলে সরকারের খাস জমি বেহাত হবে অন্যদিকে নদীর নাব্যতা হারিয়ে মৎস্য বন্দরের ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দা নেমে আসবে।
স্হানীয়দের অভিমত এখনই অবৈধ দখলদারদের প্রশাসনের হস্তক্ষেপে রুখতে হবে।তারা মহিপুর ভূমি অফিস, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দ্রুত হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের প্রতিনিধি সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত

মহিপুুরের কাঠপট্রি রোডে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নদীর পাড়ের সরকারি খাস জমি দখল।

Update Time : ১২:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
Print

কলাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি, মোঃ রহিম শিকদার:

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার বাজারের কাঠপট্রি রোডের নদীর পাড়ের খাস জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গভীর রাতের অন্ধকারে নদীর পাড় দখল করে রাতারাতি ঘর উত্তোলন করেছে ফারুক হোসেন( পিতা-মোস্তফা, সাং মহিপুর) এর বিরুদ্ধে।

অভিযোগ উঠছে প্রভাবশালীরা দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে সরকারি খাস জমি দখলে ফারুক হোসেন কে সহায়তা করেছ এছাড়া মহিপুর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাশেও উঠছে খাল দখল করে ঘর। স্হানীয়রা জানান কে বা কাহারা অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ফারুক কে খাস জমিতে ঘর উত্তোলনে সহায়তা করেছে। এতোদিন নদীর পাড় খালি ছিল। হঠাৎ সকালে এসে দেখা যায় ঘর উত্তোলন করা হয়েছে। মহিপুর মৎস্য বন্দর হওয়ায় সমূদ্র হতে মাছ শিকার করে দূর দূরান্তের জেলেরা তাদের ট্রলার নদীর তীরে নোঙর করে রাখে। এভাবে অবৈধ ঘর উত্তোলন করে নদীর তীর দখল করলে সামুদ্রিক ট্রলার নোঙর করার জায়গা পাবেনা। জেলেরা মহিপুর মৎস্য বন্দর হতে অন্যত্র চলে যাবে। এছাড়া নদীর পাড় এভাবে দখল হলে নদীর নাব্যতা ব্যহত হবে ফলে নদীর পানির প্রবাহ বাঁধা গ্রস্হ হবে। এমনিতেই মহিপুরের নদীর পাড় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহল অবৈধভাবে দখল করে অবৈধ অর্থের বানিজ্য করেছে এবং সরকারি খাস জমি দখল করে ঘর উত্তোলন বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। ইতিপূর্বে বিগত সরকারের সময় প্রভাবশালীরা অবৈধ অর্থের বিনিময়ে মহিপুরের নদীর তীর দখল করে নদীর প্রশস্ততা ছোট করে ফেলেছে।পুনরায় একই পদ্ধতি অনুসরণ করে বর্তমানে কিছু প্রভাবশালী মহল অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নদীর পাড় দখল করছে এবং ভবিষ্যতে দখলের পায়তারা চালাচ্ছে।দখলের পর একের পর এক জমি হাত বদল হচ্ছে। এখন আর পূর্বের নদী নেই। একদিকে সমূদ্রের ফাতরার চর সংলগ্ন খালগোড়ার সাগরের মোহনা নাব্যতা হারিয়ে ভরাট হয়ে গেছে। যার দরুন বড় লঞ্চ বা জাহাজ সাগরের মোহনা দিয়ে মহিপুরে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি ভাটার সময় সমূদ্রের মাছ ধরা ট্রলার মোহনা দিয়ে মহিপুরে আসতে পারে না। মহিপুরের স্হানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এভাবে মহিপুর বাজার সংলগ্ন নদীর তীর বেদখল হলে সরকারের খাস জমি বেহাত হবে অন্যদিকে নদীর নাব্যতা হারিয়ে মৎস্য বন্দরের ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দা নেমে আসবে।
স্হানীয়দের অভিমত এখনই অবৈধ দখলদারদের প্রশাসনের হস্তক্ষেপে রুখতে হবে।তারা মহিপুর ভূমি অফিস, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দ্রুত হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।