ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাবার চাই না, শুধু নিরাপদে থাকার মতো একটি ঘর চাই

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ২৬ Time View
Print

এইচএম রবিউল,তালতলী প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ছোট আমখোলা গ্রামের সরকারি আবাসন কেন্দ্রটি বর্তমানে চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্কের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ২০০১ সালে নির্মিত এই আবাসন কেন্দ্রে প্রায় ৮০টি পরিবারের ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০০৯ সালে কিছু টিন পরিবর্তন করা হলেও এরপর আর কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঘরগুলোর টিনে মরিচা ধরে বড় বড় ছিদ্র তৈরি হয়েছে; কোথাও কোথাও টিন সম্পূর্ণ উধাও হয়ে গেছে। অনেক ঘরের খুঁটি দুর্বল হয়ে পড়ায় পুরো আবাসন কেন্দ্রটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছেন বৃদ্ধ, শিশু ও গর্ভবতী নারীরা। সামান্য বৃষ্টি শুরু হলেই ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। বাধ্য হয়ে অনেক পরিবার পলিথিন টানিয়ে ও বিভিন্ন উপায়ে কোনো রকমে বসবাস করছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের খাবার বা অন্য কোনো সহায়তা প্রয়োজন নেই; তারা শুধু মাথা গোঁজার মতো একটি নিরাপদ আশ্রয় চান। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত টিন পরিবর্তন ও আবাসন কেন্দ্রটির সংস্কারের জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুর-১০ গোলচত্বরে জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

খাবার চাই না, শুধু নিরাপদে থাকার মতো একটি ঘর চাই

Update Time : ১২:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
Print

এইচএম রবিউল,তালতলী প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ছোট আমখোলা গ্রামের সরকারি আবাসন কেন্দ্রটি বর্তমানে চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্কের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ২০০১ সালে নির্মিত এই আবাসন কেন্দ্রে প্রায় ৮০টি পরিবারের ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০০৯ সালে কিছু টিন পরিবর্তন করা হলেও এরপর আর কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঘরগুলোর টিনে মরিচা ধরে বড় বড় ছিদ্র তৈরি হয়েছে; কোথাও কোথাও টিন সম্পূর্ণ উধাও হয়ে গেছে। অনেক ঘরের খুঁটি দুর্বল হয়ে পড়ায় পুরো আবাসন কেন্দ্রটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছেন বৃদ্ধ, শিশু ও গর্ভবতী নারীরা। সামান্য বৃষ্টি শুরু হলেই ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। বাধ্য হয়ে অনেক পরিবার পলিথিন টানিয়ে ও বিভিন্ন উপায়ে কোনো রকমে বসবাস করছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের খাবার বা অন্য কোনো সহায়তা প্রয়োজন নেই; তারা শুধু মাথা গোঁজার মতো একটি নিরাপদ আশ্রয় চান। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত টিন পরিবর্তন ও আবাসন কেন্দ্রটির সংস্কারের জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে