ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যতদিন মাদক থাকবে, ততদিন মাদকের সাথে আপস নয়”- ওসি আনোয়ার হোসেন চৌধুরী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৯ Time View
Print

মোঃ ইউনুছ মিয়া,  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ “হয় মাদক ছাড়বেন, না হয় মুরাদনগর ছাড়বেন। যতদিন মাদক থাকবে, ততদিন মাদকের সাথে আপস নয়’-মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদেরকে। সোমবার (৩১ আগষ্ট) বিকালে কুমিল্লার মুরাদনগর থানার আয়োজনে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে আয়োজিত মাদক বিরোধী সমাবেশে এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জিরো টলারেন্সে কাজ করছি আমরা। এ ব্যাপারে কোনও ছাড় নাই। যে কোনও প্রয়োজনে বা যে কোনো তথ্য সরাসরি আমাকে জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। মুরাদনগর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভুইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশা, বিএনপি নেতা হেদায়েত উল্লাহ, কামাল মাস্টার, পৈয়াপাথর সমাজ কল্যান কমিটির জাহাঙ্গীর আলম, প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন  মোঃ সেলিম মেম্বার ৮ নং ওয়ার্ড  মোঃ রুবেল মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ জাকারিয়া কামাল সহ অন্যান্যরা।  বক্তারা বলেন, পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে জনগণের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন দৃঢ় অবস্থানকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করে তারা বলেন, মাদক কারবারি যতই প্রভাবশালী হোক, কাউকে ছাড় না দিয়ে মুরাদনগরের প্রতিটি এলাকায় আরো কঠোর ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করলে মুরাদনগর মাদক মুক্ত হবে এবং একটি সুন্দর, নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে এলাকার সুশীল সমাজ, সচেতন নাগরিক ও দলমত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।  তারা আরো বলেন, শুধু পুলিশের একার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়; এ জন্য প্রয়োজন প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা।  সমাবেশের আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়। র্যালিতে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূ

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আখাউড়ায় নবীজি (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার।

যতদিন মাদক থাকবে, ততদিন মাদকের সাথে আপস নয়”- ওসি আনোয়ার হোসেন চৌধুরী

Update Time : ০৩:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

মোঃ ইউনুছ মিয়া,  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ “হয় মাদক ছাড়বেন, না হয় মুরাদনগর ছাড়বেন। যতদিন মাদক থাকবে, ততদিন মাদকের সাথে আপস নয়’-মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদেরকে। সোমবার (৩১ আগষ্ট) বিকালে কুমিল্লার মুরাদনগর থানার আয়োজনে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে আয়োজিত মাদক বিরোধী সমাবেশে এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জিরো টলারেন্সে কাজ করছি আমরা। এ ব্যাপারে কোনও ছাড় নাই। যে কোনও প্রয়োজনে বা যে কোনো তথ্য সরাসরি আমাকে জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। মুরাদনগর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভুইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশা, বিএনপি নেতা হেদায়েত উল্লাহ, কামাল মাস্টার, পৈয়াপাথর সমাজ কল্যান কমিটির জাহাঙ্গীর আলম, প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন  মোঃ সেলিম মেম্বার ৮ নং ওয়ার্ড  মোঃ রুবেল মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ জাকারিয়া কামাল সহ অন্যান্যরা।  বক্তারা বলেন, পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে জনগণের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন দৃঢ় অবস্থানকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করে তারা বলেন, মাদক কারবারি যতই প্রভাবশালী হোক, কাউকে ছাড় না দিয়ে মুরাদনগরের প্রতিটি এলাকায় আরো কঠোর ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করলে মুরাদনগর মাদক মুক্ত হবে এবং একটি সুন্দর, নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে এলাকার সুশীল সমাজ, সচেতন নাগরিক ও দলমত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।  তারা আরো বলেন, শুধু পুলিশের একার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়; এ জন্য প্রয়োজন প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা।  সমাবেশের আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়। র্যালিতে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূ