
ফয়ছল কাদির, সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো :
সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালান, মানবপাচার এবং মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সংঘবদ্ধ একটি চক্র সীমান্তকে ব্যবহার করে এসব অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে নিয়মিত অবৈধভাবে পণ্য আনা-নেওয়া, মানবপাচার এবং মাদক পাচারের মতো ঘটনা ঘটছে। তাদের অভিযোগ, তরিকুল ইসলাম, ফারহন, সারুক ও আজিম নামে কয়েকজনকে ঘিরে এসব কর্মকাণ্ডের অভিযোগ স্থানীয়ভাবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো তদন্তের ফলাফল সামনে আসেনি।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, যদি সত্যিই সীমান্তে সংঘবদ্ধ চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে এর সঙ্গে কারা জড়িত এবং কারা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে? তারা মনে করেন, বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হলেই প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে।
সচেতন মহলের মতে, সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
“প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 


















