
খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান, পটুয়াখালী:
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারের একনিষ্ঠ, সৎ, কর্মঠ ও মানবিক কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক। বর্তমানে পটুয়াখালীর গলাচিপায় একাধারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পৌর প্রশাসক হিসেবে একাই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে পালন করছেন। একসাথে এতগুলো প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলালেও তাঁর সততা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সর্বস্তরের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও কর্মচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে এক দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন এই কর্মকর্তা। সময়ের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও কাজের প্রতি একাগ্রতা স্থানীয় প্রশাসনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রতিদিন সকাল নয়টার পূর্বেই তিনি নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হন এবং সরকারি কাজের ব্যস্ততা থাকুক বা না থাকুক, বিকেল পাঁচটার পূর্বে অফিস ত্যাগ করেন না। ফলে সাধারণ মানুষ ও সেবাগ্রহীতারা কোনো হয়রানি ছাড়াই দ্রুত সেবা পাচ্ছেন।
কাজে ও কথায় অটল, আপসহীন ব্যক্তিত্বের এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। অনিয়ম ও অনৈতিক কার্যকলাপ প্রসংগে জনসম্মুখে দেওয়া তাঁর একটি দৃঢ় মন্তব্য সকলের মুখে মুখে— “মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে কষ্ট করে পড়াশোনা করে ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছি, কারও হাতের পুতুল হতে নয়।” তাঁর এই সাহসী বক্তব্য ও দৃঢ় অবস্থান স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, অবৈধ দখল প্রতিরোধ, ভূমি সেবা সহজীকরণ এবং পৌর প্রশাসক হিসেবে নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। অপরাধী কিংবা অন্যায়কারীর কোনো পৃথক পরিচয় তাঁর কাছে নেই; আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান—এই নীতিতে অবিচল থেকে তিনি প্রশাসন পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়দের মতে, আবুজর মো. ইজাজুল হকের মতো একজন দায়িত্বশীল, সৎ ও বহুমাত্রিক দক্ষতাসম্পন্ন কর্মকর্তার কারণে গলাচিপায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে। জনগণের কল্যাণে তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা ও সেবাধর্মী নেতৃত্ব ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
Reporter Name 


















