ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী বৈশাখ থেকে প্রতিটি জেলায় গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব: পল্টনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩১৩ Time View
Print

পান্তা-ইলিশ, ঢাক-ঢোল আর উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করে নিলো ক্রীড়াঙ্গন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, বাঙালির লোকজ ঐতিহ্য ও গ্রামীণ খেলাধুলাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, “মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় এই ধরণের গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে হাড়িয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পরিচিত করা।”

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে সমভাবে এগিয়ে নিতে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। নারী ক্রীড়া সংস্থার জন্য খুব শীঘ্রই একটি বড় ধরনের ‘সারপ্রাইজ’ বা বিশেষ ঘোষণা আসার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “নারী ক্রীড়াবিদদের নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করা হবে।”

খেলাধুলাকে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন: “খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। সমাজের সকল বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মননশীলতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করে এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।”

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী প্রচণ্ড দাবদাহ ও গরমের মধ্যেও ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার জন্য উপস্থিত দর্শক ও ক্রীড়াবিদদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। এরপর তিনি ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন গ্রামীণ ও লোকজ খেলাধুলার পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রদর্শিত হয়।

 

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের মতো বিএনপি সরকার পুলিশকে লাঠিয়াল বাহিনীর মতো ব্যবহার করতে চাইছে: ঝিনাইদহে হাসনাত আবদুল্লাহ

আগামী বৈশাখ থেকে প্রতিটি জেলায় গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব: পল্টনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

Update Time : ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
Print

পান্তা-ইলিশ, ঢাক-ঢোল আর উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করে নিলো ক্রীড়াঙ্গন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, বাঙালির লোকজ ঐতিহ্য ও গ্রামীণ খেলাধুলাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, “মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় এই ধরণের গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে হাড়িয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পরিচিত করা।”

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে সমভাবে এগিয়ে নিতে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। নারী ক্রীড়া সংস্থার জন্য খুব শীঘ্রই একটি বড় ধরনের ‘সারপ্রাইজ’ বা বিশেষ ঘোষণা আসার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “নারী ক্রীড়াবিদদের নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করা হবে।”

খেলাধুলাকে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন: “খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। সমাজের সকল বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মননশীলতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করে এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।”

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী প্রচণ্ড দাবদাহ ও গরমের মধ্যেও ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার জন্য উপস্থিত দর্শক ও ক্রীড়াবিদদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। এরপর তিনি ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন গ্রামীণ ও লোকজ খেলাধুলার পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রদর্শিত হয়।