ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আটঘরিয়ায় গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ৮৪ Time View
Print

পাবনা জেলা প্রতিনিধি:

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় গবাদি পশুকে ক্ষুরা রোগ (ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ-এফএমডি) থেকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যাপক ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই, ২০২৬) সকালে আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। এ সময় প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত থেকে খামারিদের সচেতন করেন এবং ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমে অংশ নেন।
আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হোসাইন বলেন, ক্ষুরা রোগ গবাদি পশুর একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন প্রদান করলে এ রোগের সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিও কমে। তাই নির্ধারিত সময়ে সব খামারিকে তাদের গবাদি পশুকে নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম মিশর বলেন, ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। সরকারি এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার অধিক সংখ্যক গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, খামারিরা নির্ধারিত সময়ে পশুকে টিকা প্রদান করলে রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, পশুর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।
এ সময় খামারিদের খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, অসুস্থ পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখা, নতুন পশু খামারে আনার আগে পর্যবেক্ষণে রাখা এবং রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
খামারিরা জানান, সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হলে গবাদি পশুর রোগবালাই কমবে, উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হবেন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর শেওড়াপাড়ার ৫৯৩/এ এলাকায় মেট্রোরেলের ৩২০ নম্বর পিলারের পাশে প্রায় ৫ কাঠা জমির মালিকানা ও দখলকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের অভিযোগ উঠেছে

আটঘরিয়ায় গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু

Update Time : ১১:১৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
Print

পাবনা জেলা প্রতিনিধি:

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় গবাদি পশুকে ক্ষুরা রোগ (ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ-এফএমডি) থেকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যাপক ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই, ২০২৬) সকালে আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। এ সময় প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত থেকে খামারিদের সচেতন করেন এবং ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমে অংশ নেন।
আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হোসাইন বলেন, ক্ষুরা রোগ গবাদি পশুর একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন প্রদান করলে এ রোগের সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিও কমে। তাই নির্ধারিত সময়ে সব খামারিকে তাদের গবাদি পশুকে নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম মিশর বলেন, ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। সরকারি এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার অধিক সংখ্যক গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, খামারিরা নির্ধারিত সময়ে পশুকে টিকা প্রদান করলে রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, পশুর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।
এ সময় খামারিদের খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, অসুস্থ পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখা, নতুন পশু খামারে আনার আগে পর্যবেক্ষণে রাখা এবং রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
খামারিরা জানান, সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হলে গবাদি পশুর রোগবালাই কমবে, উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হবেন।