ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনপুরায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় উদ্যোগ: বসছে ২৮ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • ১০২ Time View
Print

মোঃ শাকিল খান রাজু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WZPDCL)। প্রকল্পের আওতায় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন ও আধুনিক ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণে আন্তর্জাতিক মানের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শক্তি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে “মনপুরা দ্বীপপুঞ্জে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (MIUEPDS)” প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টার্নকি ভিত্তিতে ৩৩ কেভি সাবমেরিন ক্যাবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ ও কমিশনিংসহ সংশ্লিষ্ট সব কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের চারটি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার ১-সি ৩০০ বর্গমিলিমিটার সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে একটি আধুনিক ল্যান্ডিং স্টেশন। দরপত্রটি ওয়ান স্টেজ টু এনভেলপ টেন্ডারিং মেথড (OSTETM) পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে এবং প্রকল্পের অর্থায়ন করা হবে WZPDCL-এর নিজস্ব তহবিল থেকে। টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগ্রহী ঠিকাদারদের গত ১০ বছরের মধ্যে কমপক্ষে দুটি অনুরূপ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিশেষ করে ৩৩ কেভি বা তার বেশি ক্ষমতার সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন, পরীক্ষণ ও চালুকরণের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে অন্তত একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। একই সঙ্গে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনে ব্যবহৃত জাহাজের মডেল, ধরন ও সক্ষমতার প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ২৫ জুন ২০২৬ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। একই দিন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে দরপত্র খোলা হবে। টেন্ডার ডকুমেন্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার টাকা। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে মনপুরার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপবাসী আধুনিক ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

​গলাচিপায় বান্ধবীর বাসা থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: মৃত্যুর আগে চলছিল ভিডিও রেকর্ড!

মনপুরায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় উদ্যোগ: বসছে ২৮ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল

Update Time : ০৯:১৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
Print

মোঃ শাকিল খান রাজু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WZPDCL)। প্রকল্পের আওতায় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন ও আধুনিক ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণে আন্তর্জাতিক মানের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শক্তি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে “মনপুরা দ্বীপপুঞ্জে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (MIUEPDS)” প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টার্নকি ভিত্তিতে ৩৩ কেভি সাবমেরিন ক্যাবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ ও কমিশনিংসহ সংশ্লিষ্ট সব কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের চারটি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার ১-সি ৩০০ বর্গমিলিমিটার সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে একটি আধুনিক ল্যান্ডিং স্টেশন। দরপত্রটি ওয়ান স্টেজ টু এনভেলপ টেন্ডারিং মেথড (OSTETM) পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে এবং প্রকল্পের অর্থায়ন করা হবে WZPDCL-এর নিজস্ব তহবিল থেকে। টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগ্রহী ঠিকাদারদের গত ১০ বছরের মধ্যে কমপক্ষে দুটি অনুরূপ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিশেষ করে ৩৩ কেভি বা তার বেশি ক্ষমতার সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন, পরীক্ষণ ও চালুকরণের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে অন্তত একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। একই সঙ্গে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনে ব্যবহৃত জাহাজের মডেল, ধরন ও সক্ষমতার প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ২৫ জুন ২০২৬ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। একই দিন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে দরপত্র খোলা হবে। টেন্ডার ডকুমেন্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার টাকা। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে মনপুরার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপবাসী আধুনিক ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।