
রিনা আক্তার আখি,স্টাফ রিপোর্টার
স্কুলজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন বিএনপি নেতা হায়দার খান টেঘি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক জীবনে দলীয় আদর্শ বাস্তবায়নের পথে কাজ করতে গিয়ে তিনি একাধিক মামলা, হামলা ও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবুও দল ও আদর্শের প্রতি অটল থেকে তিনি রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন।
হায়দার খান টেঘি বলেন, “দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আমি বিএনপির রাজনীতিতে এসে আমার জীবনের অনেক কিছু হারিয়েছি। পরিবার, ব্যবসা ও ব্যক্তিগত জীবনে নানা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। কিন্তু দল ও আদর্শের প্রশ্নে কখনো আপস করিনি।”
তিনি আরও বলেন, “আজ দল ক্ষমতায় আসার পরও আমি কোনো মূল্যায়ন পাইনি। তারপরও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে আমৃত্যু বিএনপির রাজনীতি করে যাব।”
হায়দার খান টেঘির দাবি, একজন রাজনৈতিক কর্মীর সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো দলের দুঃসময়ে পাশে থাকা। তিনি বলেন, “সুযোগ-সুবিধার জন্য রাজনীতি করিনি এবং ভবিষ্যতেও করব না। দলের জন্য কাজ করেছি, এখনও করছি এবং শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দলের জন্য কাজ করে যেতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “দলের তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে। আমি বিশ্বাস করি, একদিন না একদিন দলের নেতৃত্ব ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবদান অবশ্যই মূল্যায়ন করবে।”
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেশ ও জনগণের কল্যাণে আদর্শভিত্তিক রাজনীতির কোনো বিকল্প নেই। তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি থেকে দূরে থেকে গণতন্ত্র, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতে হবে।”
তিনি জানান, বিএনপির ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ভবিষ্যতেও মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাবেন।
হায়দার খান টেঘির এসব বক্তব্য স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তবে মূল্যায়ন না পাওয়ার বিষয়ে তাঁর দাবির প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দলীয় নেতাদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা রয়েছে।
Reporter Name 


















